
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার পুড়ার চর গ্রামের যুবক আব্দুল হাই সৌদি আরবে কর্মরত অবস্থায় মারা গেছেন। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত রাতে নিজ কর্মস্থলে ঘুমের মধ্যে তার মৃত্যু হয়। স্বজনদের দাবি, বেশ কিছুদিন ধরে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। আকামার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় এবং তা নবায়নের অর্থসংকটের কারণে তিনি দুশ্চিন্তায় ভুগছিলেন।
মৃত্যুর খবরে গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবার জানায়, বৈধ কাগজপত্র জটিলতা ও আর্থিক সংকটের কারণে মরদেহ দেশে আনা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। হতদরিদ্র এই পরিবারের পক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যয় বহন করা সম্ভব নয়। আব্দুল হাইয়ের বৃদ্ধা মা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ছেলের মরদেহ যেন দেশে এনে দাফনের ব্যবস্থা করা হয়—এটাই তাদের একমাত্র দাবি।
গ্রামবাসী ও স্থানীয়রা জানান, প্রবাসে কর্মরত অবস্থায় মৃত্যুবরণকারী একজন শ্রমিক হিসেবে আব্দুল হাইয়ের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। তারা সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর, বিশেষ করে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, প্রয়োজনীয় সহায়তা পেলে দ্রুত মরদেহ দেশে এনে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা সম্ভব হবে।