May 14, 2026, 3:31 pm
শিরোনাম :
ইবিতে গ্রীন ভয়েসের আত্মরক্ষা প্রশিক্ষণ শেষে সনদ বিতরণ জাককানইবির নতুন উপাচার্য হলেন অধ্যাপক ড. মোশাররফ হোসেন বিষমুক্ত খাদ্য উৎপাদনে কৃষকদের এগিয়ে আসার আহ্বান মুকসুদপুরে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত পরিচালক খয়ের উদ্দিন মোল্লা উপবন এক্সপ্রেসের টয়লেট থেকে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার শ্যামগঞ্জ বাজারে আমিনুল সরকারের বেকারিতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের ভয়াবহ চিত্র অতিরিক্ত সোডা ব্যবহার, নোংরা পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন—জনস্বাস্থ্যে মারাত্মক ঝুঁকির অভিযোগ ইপিজেডে রাস্তা দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগে আতঙ্কে হকার-শ্রমিকরা গর্জনিয়ায় পুলিশের অভিযানে ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার ঝিকরগাছায় দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নৈশপ্রহরীর মৃত্যু যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী হত্যা: রাঙামাটিতে স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কুড়িগ্রামে খাদে পড়ার উপক্রম স্কুলবাস, অল্পের জন্য রক্ষা পেল শিক্ষার্থীরা

ফের চালু হলো আগরতলা-ঢাকা-কলকাতা সরাসরি বাস পরিষেবা

অতনু বিশ্বাস

​দীর্ঘ ১৮ মাসের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আবারও চালু হয়েছে আগরতলা-ঢাকা-কলকাতা সরাসরি আন্তর্জাতিক বাস পরিষেবা। মঙ্গলবার সকালে ঢাকার কমলাপুর বিআরটিসি বাস ডিপো থেকে ৯ জন যাত্রী নিয়ে ‘রয়্যাল মৈত্রী’র একটি বাস ত্রিপুরার আগরতলার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে।
​পুনরায় চালুর প্রেক্ষাপট
​২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং দীর্ঘমেয়াদী ভিসা জটিলতার কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ রুটটিতে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। গত ২০ ফেব্রুয়ারি একটি সফল ট্রায়াল রান বা মহড়া সম্পন্ন করার পর আনুষ্ঠানিকভাবে এই পরিষেবা চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
​পরিষেবার বিস্তারিত
• ​রুট: ঢাকা – আখাউড়া চেকপোস্ট – আগরতলা – কলকাতা।
• ​প্রাথমিক সূচি: সপ্তাহে দুই দিন বাস চলাচল করবে।
• ​ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা: পরিস্থিতি বিবেচনা করে শীঘ্রই সপ্তাহে তিন দিন নিয়মিত চলাচলের পরিকল্পনা রয়েছে কর্তৃপক্ষের।
​দুই দেশের প্রতিক্রিয়া
​আখাউড়া স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন পুলিশের উপপরিদর্শক শরীফুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার দুপুরে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে বাসটি আগরতলায় প্রবেশ করেছে।
​এদিকে, এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা। রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী সংবাদমাধ্যমকে বলেন:
​”এই বাস পরিষেবা শুধুমাত্র যাতায়াতের মাধ্যম নয়, বরং দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ, সংস্কৃতি ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের এক গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন। এটি শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য অপরিহার্য।”

​প্রভাব ও গুরুত্ব
​সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই রুটটি পুনরায় চালু হওয়ায় ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পর্যটন, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াতে গতি ফিরবে। বিশেষ করে চিকিৎসার জন্য ভারতে যাতায়াতকারী বাংলাদেশি নাগরিকদের দুর্ভোগ অনেকাংশে লাঘব হবে।



ফেসবুক কর্নার