
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে কুড়িগ্রামের রৌমারীতে আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে ‘ছ্যাঁচড়া’ চোরের উপদ্রব। কেনাকাটা করতে আসা সাধারণ মানুষের সাইকেল, মোটরসাইকেলের হেলমেট থেকে শুরু করে দোকানপাটের মালামালও রেহাই পাচ্ছে না চোরচক্রের হাত থেকে। স্থানীয়দের ধারণা, মাদকের টাকা জোগাড় করতেই একদল বখাটে যুবক এসব চুরির সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ঈদের কেনাকাটাকে কেন্দ্র করে রৌমারীর প্রধান বাজারগুলোতে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ সাইকেল, মোটরসাইকেল, ভ্যান ও অটোরিকশায় করে আসছেন। মার্কেটের সামনে যানবাহন রেখে ভেতরে কেনাকাটা করতে গেলে ফিরে এসে অনেকেই দেখছেন তাদের সাইকেল বা মোটরসাইকেলের ওপর রাখা দামী হেলমেটটি নেই।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বাজারের বিভিন্ন স্থানে কিছু বখাটে যুবকের আনাগোনা বেড়েছে। এদের অনেকেরই নির্দিষ্ট কোনো পেশা নেই। মাদকের নেশা মেটাতেই তারা ছোটখাটো চুরির সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
চোরদের হাত থেকে ব্যবসায়ীরাও রেহাই পাচ্ছেন না। রৌমারীর ব্যবসায়ী আমজাদ হোসেন বলেন, “এই ছ্যাঁচড়া চোরদের কারণে দোকান রেখে এক মুহূর্তের জন্যও চোখ সরানো যায় না। একটু অসতর্ক হলেই তারের কয়েল, গ্যাসের বোতলসহ ছোটখাটো মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।”
স্থানীয়দের মতে, ঈদের ভিড়কে সুযোগ হিসেবে নিয়ে চোরচক্র আরও সক্রিয় হয়ে উঠেছে। প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানো না হলে অনেকের ঈদের আনন্দ ম্লান হয়ে যেতে পারে।
রৌমারীর সচেতন নাগরিক ও ব্যবসায়ীরা বাজারের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে পুলিশি টহল জোরদার এবং সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের মাধ্যমে এই চোরচক্রের দৌরাত্ম্য বন্ধে প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করেছেন।