
নারায়ণগঞ্জ সদর এলাকায় একটি বাসায় জমে থাকা গ্যাস থেকে বিস্ফোরণে একই পরিবারের তিনজন গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন। শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকদের ভাষ্য, তাদের সবার অবস্থাই আশঙ্কাজনক।
দগ্ধরা হলেন মাইদুল (২৪), তার স্ত্রী বিউটি (২২) এবং তাদের ৮ বছর বয়সী ছেলে মারুফ।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, সকালে বাসার ভেতরে সিগারেট ধরানোর জন্য দিয়াশলাই জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে একই পরিবারের তিন সদস্য গুরুতর দগ্ধ হন।
চিকিৎসকদের প্রাথমিক ধারণা, দুর্ঘটনার আগে থেকেই গ্যাস লিকেজের কারণে ঘরের ভেতরে গ্যাস জমে ছিল। দিয়াশলাইয়ের আগুনের সংস্পর্শে এসে সেই গ্যাসে বিস্ফোরণ ঘটে।
চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, মাইদুলের শরীরের প্রায় ৮৫ শতাংশ, বিউটির ৯০ শতাংশ এবং শিশু মারুফের ৮০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
দুর্ঘটনার পরপরই আহত তিনজনকে দ্রুত ঢাকায় নিয়ে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, বাসাবাড়িতে গ্যাস লিকেজের সন্দেহ হলে কোনোভাবেই আগুন জ্বালানো বা বৈদ্যুতিক সুইচ অন-অফ করা উচিত নয়। এ ধরনের পরিস্থিতিতে দ্রুত গ্যাসের উৎস বন্ধ করে জানালা-দরজা খুলে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন, যাতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো যায়।