
টানা কয়েক সপ্তাহের বর্ষণে দক্ষিণাঞ্চলের প্রবেশদ্বারখ্যাত ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গৌরনদী অংশজুড়ে অসংখ্য খানাখন্দ ও গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন যানবাহন ও যাত্রীরা। দ্রুত সড়ক সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও যাত্রীরা।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে গৌরনদী উপজেলার কালকিনি (ভুরঘাটা) বাসস্ট্যান্ড থেকে দক্ষিণ উজিরপুর সীমান্ত পর্যন্ত প্রায় ১৯ কিলোমিটার সড়ক ঘুরে দেখা যায়, মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে টরকী বাসস্ট্যান্ড, মদিনা স্ট্যান্ড, গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড, আশোকাঠী, কাসেমাবাদ, মাহিলাড়া, বাটাজোর ও বামরাইল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সড়কের অবস্থা বেশি বেহাল। এসব স্থানে সড়কের মাঝখানে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করছে।
স্থানীয়রা জানান, কয়েক দিনের টানা বর্ষণে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে পিচ ও পাথর উঠে গিয়ে গর্ত তৈরি হয়েছে। কোথাও কোথাও সড়ক প্রশস্ত করার পর তা উঁচু-নিচু অবস্থায় পড়ে আছে। আবার কিছু স্থানে সড়কের দুই পাশ কেটে রাখা হয়েছে। এতে সরু সড়কে যানবাহন চলাচলে দুর্ভোগ বাড়ছে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ মহাসড়কের বিভিন্ন গর্তে ইট দিয়ে ভরাটের চেষ্টা করছে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, স্থায়ী সংস্কার না হলে বর্ষাকালে এ দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাওয়া কঠিন।
তারা আরও জানান, মহাসড়কের গর্তের পাশাপাশি চালকদের বেপরোয়া গতি ও অসুস্থ প্রতিযোগিতার কারণে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে। তাই নিরাপদে যান চলাচল নিশ্চিত করতে দ্রুত মহাসড়কটির প্রয়োজনীয় সংস্কার ও স্থায়ী মেরামতের দাবি জানিয়েছেন দক্ষিণাঞ্চলবাসী।