
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে একটি পাখির খাবারের দোকান থেকে খাদ্য অধিদপ্তরের লোগোযুক্ত বিপুল পরিমাণ গম উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নারায়ণগঞ্জ সাইলো থেকে সরকারি গম অবৈধভাবে বাইরে এনে চিটাগাং রোডের শিমরাইল মাছবাজারসংলগ্ন মো. বাবুলের দোকানে রাখা হয়েছিল। পরে পুলিশের উপস্থিতিতে গমগুলো অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হলেও এ ঘটনায় জব্দ বা মামলা না হওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত শনিবার সন্ধ্যার পর একটি ট্রাক থেকে ওই দোকানে প্রায় ২৫০ বস্তা গম নামানো হয়। বস্তাগুলোর অনেকগুলোতে খাদ্য অধিদপ্তরের লোগো ছিল বলে দাবি স্থানীয়দের। অভিযোগ রয়েছে, রাতেই কিছু গম সরকারি বস্তা থেকে বের করে অন্য বস্তায় ভরে রাখা হয়।
পরদিন রোববার দুপুরে সাইলোগেট এলাকার ঠিকাদার মো. খোরশেদের নেতৃত্বে কয়েকজন দোকানে এসে গমগুলো নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেন। খবর পেয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই আল মামুন কবিরের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। স্থানীয়দের দাবি, ২৫০ বস্তা থাকার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত প্রায় ৩৫০ বস্তা গম সরিয়ে নেওয়া হয়।
দোকান মালিক বাবুল দাবি করেন, তিনি ২৫০ বস্তা সরকারি গম কিনেছিলেন। আইনি জটিলতায় না জড়ানোর শর্তে তাঁকে ২৫০ বস্তার পরিবর্তে ৩৫০ বস্তা গম নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছিল। তবে অতিরিক্ত গম সরানোর অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এসআই আল মামুন কবির বলেন, তিনি গমের বৈধ ডিও (ডেলিভারি অর্ডার) দেখেছেন। কাগজপত্র সঠিক থাকায় গম জব্দ করা হয়নি। নারায়ণগঞ্জ সাইলোর সুপার মো. আকরাম হোসেন বলেন, সাইলো থেকে সরকারি গম বাইরে বিক্রির বৈধ সুযোগ নেই। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রকৃত বিষয় উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।