August 21, 2026, 3:44 am
শিরোনাম :
ডেটিং অ্যাপে প্রেম থেকে বিয়ে, পাঁচ মাস পর তৃষার মৃত্যু রিপোর্টার নিয়োগের নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ‘আমার সকাল ২৪’-এর বিরুদ্ধে জন্মনিবন্ধন সংশোধনের কথা বলে শিক্ষার্থীর মাকে ডেকে ধর্ষণ বঙ্গভবনে আজ সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতির শপথ, পড়াবেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার  রাহুলের মৃত্যুর পর প্রেমের দাবি মৌমিতার, প্রকাশ্যে কুলাউড়া বাজারে অবৈধ পার্কিংবিরোধী অভিযান কঙ্গনার কড়া জবাব, ‘আমার যৌবন নিয়ে দিবাস্বপ্ন দেখা বন্ধ করুন’ রামদেবকে ফ্লোরিডায় চলন্ত গাড়িতে ঝগড়া, স্বামীর কান কামড়ে ছিঁড়ে নেওয়ার অভিযোগ সুনেরাহর রহস্যময় পোস্ট, ‘মানুষরূপী বহুরূপী’ থেকে দূরে থাকার প্রার্থনা বিপিএলের শেষ দুই আসরে বিসিবির ৪০ কোটি টাকা ক্ষতি

জন্মনিবন্ধন সংশোধনের কথা বলে শিক্ষার্থীর মাকে ডেকে ধর্ষণ

অভয়নগর প্রতিবেদক

বরিশালের বানারীপাড়ায় জন্মনিবন্ধনের ভুল সংশোধনের কথা বলে এক শিক্ষার্থীর মাকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক মো. মোরশেদকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৯ আগস্ট) তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। চিকিৎসা ও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার বিকেলে মোরশেদকে তাঁর বাড়িতে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করে স্থানীয়রা মারধর করেন। পরে থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে। বানারীপাড়া থানার ওসি মো. মজিবুর রহমান জানান, জন্মনিবন্ধনের ভুল সংশোধনের কথা বলে ওই শিক্ষার্থীর মাকে বাড়িতে ডেকে নেওয়ার পর ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার এবং অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে। অভিযুক্ত শিক্ষক এর আগেও খুলনার একটি হোটেলে এক সহকারী শিক্ষিকার সঙ্গে অবস্থানকালে স্ত্রীর হাতে ধরা পড়েছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। ওই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল।
এদিকে মোরশেদের বিরুদ্ধে মামলার খবর পেয়ে উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তানিয়া রহমান বুধবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনার বিষয়ে খোঁজখবর নেন। পরে তিনি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা খগোপতি রায়কে বিষয়টি জানান। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা সংক্রান্ত কোনো লিখিত অভিযোগ তিনি পাননি। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে বিধিমোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হবে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মামলার পর ঘটনাটি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।



ফেসবুক কর্নার