August 22, 2026, 11:14 am
শিরোনাম :
রাজপথ থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব: রুহুল কবির রিজভীর  সড়কে দুই বছরের শিশুকে ফেলে যাওয়ার অভিযোগ, দেয়ালজুড়ে ছেলের আঁকিবুঁকি, পরীর কাছে এটাই ‘ছেলেবেলা’ সীমান্তে ৫৯ বিজিবির অভিযানে নেশাজাতীয় সিরাপ জব্দ পররাষ্ট্রে দুই প্রতিমন্ত্রী, কাজের গতি বাড়াতেই সিদ্ধান্ত: শামা ওবায়েদ দৈনিক অভয়নগরে সংবাদ প্রকাশের পর ওমান থেকে দেশে ফিরলেন অসহায় সুমি জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের শ্রদ্ধা জানালেন নবনিযুক্ত মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের শ্রদ্ধা জানালেন রাষ্ট্রপতি রোদমাখা বিকেলের ছবি নিয়ে নেটিজেনদের নজর কাড়লেন স্পর্শিয়া ইয়েমেন-সোমালিয়া উপকূলে জলদস্যুদের কবলে দুই জাহাজ

সড়কে দুই বছরের শিশুকে ফেলে যাওয়ার অভিযোগ,

তারিকুল ইসলাম মিনা

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে দুই বছরের এক শিশুকে সড়কের পাশে রেখে চলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার মায়ের বিরুদ্ধে। পরে শিশুটিকে দাদির কাছে নেওয়া হলেও তিনিও দায়িত্ব নিতে অস্বীকৃতি জানান বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় উপজেলার ১৪ নম্বর বারইখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের জেলে পাড়ার একটি ইটভাটার সামনে এ ঘটনা ঘটে। কান্নারত শিশুটিকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনে নিয়ে গেলে ইউএনও মো. হাবিবুল্লাহ তাৎক্ষণিকভাবে তার নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় যত্নের ব্যবস্থা করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সড়কের পাশে একা শিশুটিকে কাঁদতে দেখে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে দাদির কাছে নিয়ে যান। তবে দাদি শিশুটির দায়িত্ব নিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে আবারও সড়কের পাশে রেখে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা শিশুটিকে ইউএনওর বাসভবনে নিয়ে যান। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শিশুটির বাবা মো. পলাশ ও মা মোসা. মিতু আক্তার। প্রায় তিন মাস আগে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি। শুক্রবার শিশুটির মা তাকে সড়কের পাশে রেখে ঢাকার উদ্দেশ্যে চলে যান বলেও অভিযোগ রয়েছে।
ঘটনার পর ইউএনও শিশুটির বাবা মো. পলাশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পলাশ জানান, তিনি বর্তমানে মোরেলগঞ্জের বাইরে রয়েছেন এবং আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তিন দিনের মধ্যে ইউএনওর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সন্তানকে নিজের দায়িত্বে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। এদিকে শিশুটির তাৎক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইউএনও নিজের বাসা থেকে পোশাক এনে তাকে পরিয়ে দেন এবং খাবারের ব্যবস্থা করেন। পরে সাময়িকভাবে দেখভালের জন্য শিশুটির ফুফু রেসমা খাতুনের কাছে তিন দিনের ভরণ-পোষণের জন্য আর্থিক সহায়তা দিয়ে তাকে হস্তান্তর করা হয়। শিশুটির ভবিষ্যৎ অভিভাবকত্ব, নিরাপত্তা ও আইনগত বিষয় বিবেচনায় আগামী সোমবার তার বাবাকে ইউএনও কার্যালয়ে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে। স্থানীয়রা শিশুটির স্থায়ী নিরাপত্তা ও যথাযথ অভিভাবকত্ব নিশ্চিত করতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।



ফেসবুক কর্নার