August 22, 2026, 3:49 pm
শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচনের কথা জানাল ইসি কলকাতার হোটেল অগ্নিকাণ্ডে সাংবাদিকসহ ছয় বাংলাদেশির মরদেহ দেশে জেন-জি’র মন জয়ে ইনস্টাগ্রামে রিলস ও অনানুষ্ঠানিক কনটেন্টে মোদি ভিন্নমত মানেই শত্রুতা নয়, সহনশীলতার আহ্বান বাঁধনের কাঁচপুরে যাত্রীবাহী বাসে গাঁজাসহ, চালক-হেলপার গ্রেপ্তার ন্যাশনাল ই-হেলথ প্ল্যাটফর্ম চালুর আগে পাইলট প্রকল্পের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বিশ্বজয়ী হাফেজদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া উচিত: পীর সাহেব চরমোনাই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওষুধ সংকট, ভোগান্তিতে নিম্নআয়ের রোগীরা সারে সরকারের ভর্তুকির অর্থে বছরে দুটি পদ্মা সেতু নির্মাণ সম্ভব: কৃষি কর্মকর্তা রাজপথ থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব: রুহুল কবির রিজভীর 

কলকাতার হোটেল অগ্নিকাণ্ডে সাংবাদিকসহ ছয় বাংলাদেশির মরদেহ দেশে

তানভীর আজাদ জাহিদ দৌলতপুর কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

ভারতের কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের শিখা ইন হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাংবাদিক দেবাশীষ দত্তসহ ছয় বাংলাদেশির মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। শনিবার (২২ আগস্ট) পাঁচজনের মরদেহ যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর এবং একজনের মরদেহ সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্ত দিয়ে দেশে আনা হয়। নিহতদের মধ্যে কুষ্টিয়ার সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত, তাঁর স্ত্রী আফসানা শারমীন, তিন বছরের শিশু সন্তান স্বর্ণশীষ দত্ত, শ্বশুর আকরাম হোসেন, সাভারের আমিনবাজারের আহমেদ বাবু এবং সাতক্ষীরার আলিমুজ্জামান সাজু রয়েছেন।
পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেবাশীষ দত্ত ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী পৃথকভাবে শেষকৃত্য ও দাফন সম্পন্ন করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। শনিবার রাত ৮টার দিকে কুষ্টিয়া মহাশ্মশানে সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত ও তাঁর শিশু সন্তান স্বর্ণশীষের সৎকারের প্রস্তুতি নেওয়া হয়। অন্যদিকে দেবাশীষের স্ত্রী আফসানা শারমীন ও শ্বশুর আকরাম হোসেনের মরদেহ প্রথমে দেবাশীষের বাড়ির সামনে এবং পরে কুষ্টিয়া শহরের থানাপাড়া এলাকায় আফসানার বাবার বাড়িতে নেওয়ার কথা রয়েছে। এরপর বাদ এশা কুষ্টিয়া পৌর কবরস্থানে তাঁদের দাফনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়।
পারিবারিক সূত্র জানায়, প্রায় নয় বছর আগে ভিন্ন ধর্মের অনুসারী হয়েও ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত ও আফসানা শারমীন। তাঁদের সংসারে দুই সন্তান মহিমা ও স্বর্ণশীষ ছিল। গত ৩ আগস্ট চিকিৎসার জন্য স্ত্রী ও ছোট ছেলেকে নিয়ে কুষ্টিয়া থেকে কলকাতায় যান দেবাশীষ। পরে তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন শ্বশুর আকরাম হোসেন। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে দেশে ফেরার কথা থাকলেও ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তাঁদের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার মোহাম্মদ খালেদ জানান, সরকারি ব্যবস্থাপনায় নিহতদের মরদেহ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে শুক্রবার রাতে কলকাতার পিস ওয়ার্ল্ডের হিমাগার থেকে মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। শনিবার প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে কফিনবাহী অ্যাম্বুলেন্স বাংলাদেশে রওনা দেয়। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের শিখা ইন হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে সাত বাংলাদেশি ও দুই ভারতীয়সহ মোট নয়জনের মৃত্যু হয়।



ফেসবুক কর্নার