
বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন ও ইকোট্যুরিজম কেন্দ্রে দেশি-বিদেশি পর্যটকের ভিড় বেড়েছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, জীববৈচিত্র্য ও বন্যপ্রাণীর আকর্ষণে প্রতিবছরই বাড়ছে পর্যটকের সংখ্যা। বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গত পর্যটন মৌসুমে সুন্দরবনে আড়াই লাখের বেশি পর্যটক ভ্রমণ করেছেন। এর প্রায় ৮০ শতাংশই এসেছে বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের করমজলে।
করমজল লোকালয় থেকে মাত্র ২০ মিনিটের নৌদূরত্বে হওয়ায় পর্যটকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণীয়। এখানে রয়েছে ফুট ট্রেইল, ঝুলন্ত সেতু, পর্যবেক্ষণ টাওয়ার, প্রাণ-প্রকৃতি ব্যাখ্যা কেন্দ্র, কুমির ও কচ্ছপের প্রজনন ব্যবস্থা। সুন্দরবনের বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা, হরিণ, কুমিরসহ নানা বন্যপ্রাণী দেখার সুযোগ রয়েছে। এছাড়া শরণখোলা রেঞ্জের কটকা, কচিখালী ও জামতলা সি-বিচসহ সুন্দরবনের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রও দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করছে।
বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, ১ সেপ্টেম্বর থেকে টানা নয় মাস সুন্দরবনের পর্যটন মৌসুম। সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্যের ওপর চাপ কমাতে বন বিভাগ ইকোট্যুরিজমের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত তিন মাস পর্যটকসহ সব ধরনের বনজীবীর প্রবেশ বন্ধ থাকে। করমজল সারা বছর পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত থাকে। চলতি মৌসুমে প্রায় তিন লাখ পর্যটকের আগমন ঘটতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।