September 29, 2026, 6:00 am

দুদকের অনুসন্ধানে পটুয়াখালীর প্রকৌশলী জসিম উদ্দিন

মাসুদ খান, পটুয়াখালী প্রতিনিধি

বদলি হয়ে পটুয়াখালী পৌরসভায় যোগ দেওয়ার পরও বেতাগী পৌরসভায় দায়িত্ব পালনকালে প্রকৌশলী জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। কুয়েত ফান্ড ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে বাস্তবায়িত আরবান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্টে (UIIP) প্রায় ১৭ কোটি টাকার উন্নয়নকাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এর মধ্যে প্রায় ৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ এবং বিভিন্ন প্রকল্পে মোট প্রায় ১০ কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
অভিযোগ রয়েছে, বেতাগী পৌরসভায় আট বছরের বেশি সময় দায়িত্ব পালনকালে তার সময়ে বাস্তবায়িত ১৭টি প্যাকেজের বিভিন্ন কাজে অনুমোদিত প্রাক্কলনের তুলনায় কম কাজ করে পুরো বিল উত্তোলন করা হয়েছে। ৪৩৯টি ময়লার বাস্কেট সরবরাহ না করা, ২০টি ভ্যানের সরবরাহ দেখিয়ে প্রায় ২০ লাখ টাকা আত্মসাৎ এবং বাসস্ট্যান্ডের পাবলিক টয়লেট নির্মাণের দৃশ্যমান অস্তিত্ব না থাকলেও পুরো বিল পরিশোধের অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া সোলার প্যানেল ও সড়কবাতি স্থাপনের কাজে নির্ধারিত কাজের প্রায় ৩০ শতাংশ বাস্তবায়ন করে এনার্জিপ্যাক ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডকে প্রায় ৪৫ লাখ টাকা বিল দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
দুদক পটুয়াখালী-বরগুনা সমন্বিত জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, প্রকৌশলী জসিম উদ্দিন বর্তমানে পটুয়াখালী পৌরসভার প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বেতাগী পৌরসভায় দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিস্তারিত প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে এবং পরবর্তী অনুমোদন ও সিদ্ধান্তের পর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি এগোবে। অভিযোগের বিষয়ে প্রকৌশলী জসিম উদ্দিনের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা ও প্রকল্পের বাস্তবায়ন যাচাই সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।



ফেসবুক কর্নার