
রাজধানীর মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার ভাঙচুরের ঘটনায় সরকার বিব্রত বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। এ ঘটনায় জড়িতদের পুলিশের তদন্তের ভিত্তিতে আইনের আওতায় আনা হবে বলেও জানান তিনি। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলার ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজে যাদের পরিচয় পাওয়া গেছে, তাদের কেন এখনো গ্রেপ্তার করা হয়নি—এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, বিষয়টি নির্দিষ্ট একটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এগোচ্ছে।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, গণমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে পাওয়া তথ্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও তা পুলিশের তদন্তের বিকল্প নয়। পুলিশের তদন্তের ভিত্তিতেই শেষ পর্যন্ত অভিযোগপত্র দেওয়া হবে। তিনি বলেন, পুলিশ তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে নিশ্চিত হলে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। তাই তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কাউকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়ার সুযোগ নেই বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন।
এদিকে রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ঘটনা ছাড়াও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপতথ্য ছড়ানোর বিষয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা। সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিদের নাম ব্যবহার করে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ন্যারেটিভ তৈরির চেষ্টা হচ্ছে বলে তিনি জানান। তবে সরকারের যুক্তিসংগত সমালোচনার বিরোধিতা না করে তিনি বলেন, সত্য ও যুক্তিনির্ভর সমালোচনা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অংশ। অপতথ্য মোকাবিলায় জনগণকে সচেতন করার পাশাপাশি সাইবার সুরক্ষা আইন নিয়ে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। আইনটি চূড়ান্ত হলে এর আওতায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।