
খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত গাড়ির জ্বালানি তেল চুরির ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি প্রায় ছয় মাস পর প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট তিনজনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে ঘটনার পর তদন্ত প্রতিবেদন দিতে দীর্ঘ সময় লাগায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
কেসিসির অফিস আদেশ অনুযায়ী, ব্যাক-হুইল লোডার চালক এনায়েত হোসেন বাবলুকে সাময়িক বরখাস্ত করে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সহকারী হেলপার মো. সুরুজ আউটসোর্সিং কর্মী হওয়ায় তার নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। আর হেড মেকানিক মোহাম্মদ আলীকে ছয় মাসের ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। গত ১৯ মার্চ খালিশপুর অঞ্চলের এসটিএস পয়েন্টে ব্যাক-হুইল লোডার-৬-এর ট্যাংক থেকে পাইপের মাধ্যমে তেল বের করে পৃথক পাত্রে রাখার সময় বিষয়টি নজরে আসে।
কেসিসি সূত্রে জানা যায়, কনজারভেন্সি সুপারভাইজার নুরুজ্জামান সুমন বিষয়টি প্রশাসনকে জানান। পরে কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে তেল চুরির প্রাথমিক সত্যতা পান। ওইদিনই চালক বাবলুকে সাময়িক বরখাস্ত করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। প্রায় ছয় মাস পর গত ২২ সেপ্টেম্বর কমিটি তিনজনকে অভিযুক্ত করে প্রতিবেদন দেয়। এর ভিত্তিতে ২৪ সেপ্টেম্বর ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কেসিসির সচিব মো. রেজা রশীদ বলেন, তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। হেড মেকানিক মোহাম্মদ আলী চালককে বাঁচাতে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার চেষ্টা করেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি অসুস্থ হওয়ায় মানবিক বিবেচনায় ছয় মাসের ছুটি দেওয়া হয়েছে।