
কুষ্টিয়ায় গত মাসের শেষ ভাগ থেকে শুরু হওয়া অটো-এলপিজি গ্যাসের সংকট এখন তীব্র আকার ধারণ করেছে। পাম্পগুলোতে পর্যাপ্ত জ্বালানি না থাকায় সিএনজি ও এলপিজিচালিত যানবাহনের চালকদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। এতে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটার পাশাপাশি ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ যাত্রীরা।
পাম্প কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ করছে না। তাদের দাবি, অসাধু উপায়ে বিপুল পরিমাণ এলপিজি মজুত রেখে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির মাধ্যমে বাড়তি লাভের চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে আমদানিকারকদের কোনো স্পষ্ট বক্তব্য পাওয়া যায়নি। চালকরা জানান, দীর্ঘ লাইনে সময় নষ্ট হওয়ায় তাদের দৈনিক আয় কমে গেছে এবং দূরপাল্লার রুটে চলাচলও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
এদিকে বাসাবাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজি সিলিন্ডারের বাজারেও সংকটের প্রভাব পড়েছে। খুচরা বাজারে গ্যাসের ঘাটতির কথা বলে সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দাম নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে। এতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ তৈরি হয়েছে। ভোক্তারা দ্রুত বাজার তদারকি জোরদার করে সরবরাহ স্বাভাবিক ও অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।