November 4, 2026, 4:24 pm
শিরোনাম :

নাগরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ

কবির হোসেন স্টাফ রিপোর্টার

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের খাবার ও বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণসহ বিভিন্ন খাতে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এমএসআর সামগ্রী, রোগীদের পথ্য, ময়লা কাপড় ধোলাই, কম্পিউটার ও আনুষঙ্গিক সামগ্রী, আসবাবপত্র এবং সেবা ক্রয়ের দরপত্র প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা। এসব অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল কাদীরের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবার একমাত্র ভরসা এ প্রতিষ্ঠানটিতে রোগীরা নানা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও চিকিৎসাসেবার মান নিয়েও অসন্তোষ জানিয়েছেন রোগীরা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোর জন্য বিভিন্ন সামগ্রী ও সেবা ক্রয়ে তিন সদস্যের বার্ষিক ক্রয় পরিকল্পনা কমিটি গঠন করা হয়। ২৩ সেপ্টেম্বর দরপত্র বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত অনলাইনে দরপত্র ক্রয় ও জমার সময় নির্ধারণ করা হয়। ৫ অক্টোবর দরপত্র খোলার পর ছয়টি গ্রুপের মধ্যে মেসার্স সাইফুল ট্রেডার্সকে তিনটি, মেসার্স সরকার এন্টারপ্রাইজকে দুটি এবং মেসার্স লাকি ট্রেডার্সকে একটি গ্রুপের কাজের জন্য সুপারিশ করা হয়। দরপত্রে অংশ নিতে ব্যর্থ মোস্তফা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী গোলাম মওলা মোস্তফার অভিযোগ, পছন্দের প্রতিষ্ঠানকে কাজ দিতে শর্ত আরোপ ও হাসপাতালের ওয়েবসাইটের সার্ভার ডাউন রাখা হয়েছিল।
তবে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল কাদীর অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিধিমালা অনুযায়ী নিয়মতান্ত্রিকভাবে দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে; এখানে অনিয়ম বা স্বজনপ্রীতির সুযোগ নেই। হাসপাতাল চত্বরে স্থাপনা নির্মাণের বিষয়ে তিনি জানান, সেখানে মসজিদের ইমাম বসবাস করেন এবং তাঁকে কিছুদিনের মধ্যে সরিয়ে দেওয়া হবে। রোগীদের খাবার, ওষুধ বিতরণ ও অন্যান্য অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যুক্ত করা প্রয়োজন। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।



ফেসবুক কর্নার