March 10, 2026, 4:28 pm
শিরোনাম :
ভাঙ্গুড়ায় জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন মৌলভীবাজারে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী কল্যাণ সমিতির নির্বাচন নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে যৌথবাহিনীর সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান, আটক ২২ সড়ক বিভাগে অনিয়মের অভিযোগ, বেলা ১১টাতেও তালাবদ্ধ নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তর তাড়াশে বাস-পিকআপ মুখোমুখি সংঘর্ষে পিকআপ চালক নিহত রাজশাহীতে প্রেসক্লাব সভাপতির ওপর হামলা মামলায় দুই আসামি গ্রেপ্তার জনপ্রিয় আজমপুর রেলস্টেশন বন্ধের দ্বারপ্রান্তে : সিগন্যাল চুরি ও রহস্যজনক কার্যক্রমে উদ্বেগ পানছড়িতে ভাতাভোগী আনসার-ভিডিপি সদস্যদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাঞ্ছারামপুরে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন বাকপ্রতিবন্ধী মার্মা তরুণীকে অপহরণ ও ধর্ষণ: পাহাড়ে কি আইন সমান?

সাতক্ষীরা ৭০ বছরের পুরাতন লাউতলি খাল বেড়ি বাঁধ দিয়ে দখল

অভয়নগর প্রতিবেদক

 

 

সাতক্ষীরা কালিগঞ্জের রতনপুর ইউনিয়নের মলেঙ্গা গ্রামের ৭০ বছরের পুরাতন লাউতলি খাল এলাকার পানি নিষ্কাশনের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত খালে বেড়ি বাঁধ নির্মাণ করে দখল করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের দাবি, মলেঙ্গা গ্রামের শাহজান গাজী(৫৯), সিরাজুল ইসলাম (৫৪), উভয় পিতা-দিনার আলী নামের ব্যক্তিদ্বয় খালটির স্বাভাবিক গতিপথ বন্ধ করে ব্যক্তি স্বার্থে খালটির অর্ধেক দখল করে বেড়িবাঁধ দিচ্ছে। যার ফলে পুরো এলাকার পরিবেশ ও কৃষি ব্যবস্থা মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

স্থানীয় প্রবীণদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, স্বাধীনতারও আগে খালটি খনন করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে এটি বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশন এবং শুষ্ক মৌসুমে কৃষিকাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছিল। কয়েকটি গ্রামের ফসলি জমি ও বসতবাড়ির পানি এই খালের মাধ্যমেই বের হয়ে যেত।

সরেজমিনে যেয়ে দেখা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে খালটির একাধিক স্থানে মাটির ভেড়ি বাঁধ নির্মাণ করা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব বাঁধ নির্মাণে কোনো সরকারি অনুমোদন নেওয়া হয়নি। ভেড়ি বাঁধ দিয়ে খাল আটকে মাছ চাষ ও ব্যক্তিগত জমি রক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতে খালের স্বাভাবিক প্রবাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।

কৃষক সোলায়মান বলেন, “এই খাল বন্ধ হওয়ায় আমাদের জমিতে এখন চাষ করা দায় হয়ে গেছে। আমরা প্রশাসনের কাছে একাধিকবার জানিয়েও কোনো ফল পাইনি।”

রতনপুর ইউনিয়ন সহ-ভূমি কর্মকর্তা মোঃ আব্দুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের ভূমি আইন ও জলাধার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী, প্রাকৃতিক খাল, বিল ও জলাধার দখল বা ভরাট সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। আইন অনুযায়ী এসব দখল অপসারণ ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হবে।

স্থানীয়রা অবিলম্বে ভেড়ি বাঁধ অপসারণ, খাল দখলমুক্ত করা এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যাতে খাল দখলের পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে জন্য স্থায়ী নজরদারির আহ্বান জানান তারা।



ফেসবুক কর্নার