ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দায়ের করা ৩৪ মামলার ভার বহন করেছেন খাগড়াছড়ির বিএনপি প্রার্থী আবদুল ওয়াদুদ ভূইয়া। এখনো তাঁর কাধে রয়ে গেছে ৮ মামলা। একই আসনে জামায়াত প্রার্থী মো. এয়াকুব আলীর নাম ঝুলে আছে দুই মামলায়। অব্যাহতি পেয়েছেন ছ’টিতে। রাঙামাটিতে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী দীপেন দেওয়ানের দুই মামলা নিষ্পত্তির অপেক্ষায়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পার্বত্য তিন আসনের বিএনপি ও জামায়াত মনোনীত প্রার্থীদের হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষে তাদের মনোনয়ন বৈধতাও পেয়েছে।
খাগড়াছড়ি
হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ওয়াদুদ ভূইয়ার নামে ৮টি মামলা চলমান রয়েছে। সবকটি মামলার কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে, একইসঙ্গে জামিনেমুক্ত রয়েছেন তিনি। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমল থেকে শুরু করে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমল পর্যন্ত ২৬টি মামলায় ‘আসামি’ হয়েছিলেন সাবেক এই সংসদ সদস্য। এরমধ্যে ২০ মামলায় ‘অব্যাহতি’, ৫ মামলায় বেকসুর খালাস পেয়েছেন তিনি। আর একটি মামলা ‘নথিজাত’ অবস্থায় আছে।
অন্যদিকে পেশায় আইনজীবী জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মো. এয়াকুব আলীকেও দাঁড়াতে হয়েছে কাঠগড়ায়। ২০১৩ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত ৬টি মামলায় নাম উঠেছে তার। তবে বিশেষ ক্ষমতা আইনে কুমিল্লার আদালতে রয়ে গেছে তাঁর নাম।
রাঙামাটি
রাঙামাটিতে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান বিরুদ্ধে দুই মামলা চলমান। জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মোখতার আহম্মেদের বিরুদ্ধে কোন মামলা নেই। ইতোপূর্বেও কোন মামলার আসামি তিনি হননি। এছাড়া দীপেন দেওয়ানের দুই মামলা নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
বান্দরবান
বান্দরবান আসনে বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সাচিং প্রু জেরী দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন। জামায়াত প্রার্থী করেছে দলের নায়েবে আমির আবুল কালাম আজাদকে। হলফনামার তথ্য বলছে, রাজপরিবারের সদস্য জেরী ও আইনজীবী আবুল কালামকে কখনো কাঠগড়ায় দাড়াতে হয়নি। তাদের বিরুদ্ধে বর্তমানেও কোন মামলা চলমান নেই, ইতোপূর্বেও তাদের বিরুদ্ধে কোন মামলা হয়নি