June 25, 2026, 3:50 pm
শিরোনাম :
গুপ্তধনের লোভে সর্বস্বান্ত পরিবার, ২৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ মান্দায় অটোরিকশা মালিক সমিতির নেতাকে মারধরের অভিযোগ, প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ কুষ্টিয়ায় অস্ত্র ও গুলিসহ যুবক আটক, গণপিটুনির পর পুলিশের হাতে সোপর্দ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিশুমৃত্যুর অভিযোগ: ভুল ইনজেকশন নিয়ে তোলপাড়, তদন্তের দাবি লক্ষ্মীপুরে মা ও দুই মেয়েকে হত্যা, আরেক কন্যা আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাদক মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আলাদা ট্রাইব্যুনাল গঠনের প্রস্তাব চীনের সঙ্গে আরো গভীর শিল্প অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে চায় বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্প, নিহতের সংখ্যা ছাড়াতে পারে ১ লাখ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ এমনভাবে দৌড়াও, যেন আজই তোমার জীবনের শেষ দিন’—নেইমারকে বাবার বার্তা

পদত্যাগের হিড়িকে টানাপোড়েনে এনসিপি, রয়েছে নয়া জোট নিয়ে আশাবাদও

অভয়নগর প্রতিবেদক

জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি’র ১২ দলীয় জোট গঠন করার পর পদত্যাগ করেছেন বেশ কয়েকজন এনসিপি নেতা। কারণ হিসেবে কেউ কেউ জামায়াতের সাথে জোটবদ্ধ হওয়ার কথা বলেছেন। তারা মনে করেন, নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত তৈরির লড়াইয়ে এখন আর এনসিপি নেই। এটা বুঝতে পেরেই দল থেকে সরে আসা। এদিকে দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার জানান, পদত্যাগের কারণে দলের ভেতরে কিছুটা দোলাচল থাকলেও, অধিকাংশই রয়েছে জোটের পক্ষে।
গত বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি আত্মপ্রকাশ ঘটে ২৪’র জুলাই অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেয়া তরুণদের দল জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির। দলের নেতৃত্বে রয়েছেন নাহিদ ইসলাম। সঙ্গী হিসেবে সামনের সারিতে আছেন জুলাই আন্দোলনের অনেক পরিচিত মুখ।মূলত, গত ১০ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ১২৫ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে এনসিপি। দলের পক্ষ থেকে বলা হয়, নির্বাচনে এককভাবে প্রার্থী দেয়া হবে ৩০০ আসনে। ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে এবি পার্টি ও রাষ্ট্রসংস্কার আন্দোলনের সাথে জোট করে এনসিপি। দুই সপ্তাহের মাথায় জামায়াতে ইসলামীর সাথে নির্বাচনী জোট গড়ে নতুন করে আলোচনায় দলটি।এরপরই দলের ভেতরে এ নিয়ে মতপার্থক্য দৃশ্যমান হতে থাকে। সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহবান জানান ৩০ নেতা। জামায়াত জোটের সিদ্ধান্তে অটল থাকায় পদত্যাগের হিড়িক শুরু হয়। দল ছাড়ে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি ও তৃণমূলের অন্তত দেড় ডজন নেতা। এরইমধ্যে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে লড়াইয়ের ঘোষণা দিয়েছেন কেউ কেউ। কয়েকজন আবার নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন রাজনীতি থেকে।

দল ছেড়ে যাওয়া নেতারদের কারও কারও মনে আসন্ন নির্বাচনে পুরোনো রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আপস করেছে এনসিপি, যেখানে আপসকৃত শর্তগুলো আত্মমর্যাদা হানিকর।
তবে, ভোটের আগে দলের এই হোঁচটকে চ্যালেঞ্জ মনে করছে না এনসিপি। কেন্দ্রীয় নেতাদের দাবি গণতান্ত্রিক উপায়ে সিদ্ধান্ত নেয়ায় বিশ্বাসী তারা।

দলটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষারের মতে, এনসিপি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে; তাই দলে যে জায়গাগুলোতে শূণ্যস্থান তৈরি হয়েছে সেগুলো খুব শিগগিরই পূরণ করা হবে। এই প্রক্রিয়াও চলমান।
উল্লেখ্য, দলের অধিকাংশরাই ১২ দলীয় জোটের পক্ষে রয়েছে বলেও জানান এনসিপির এই নেতা।



ফেসবুক কর্নার