October 8, 2026, 6:27 am
শিরোনাম :
নাটোর স্টেশনে জার্মান নাগরিকের ব্যাগ চুরি, শনাক্ত অভিযুক্ত বিদায়ের পর মেসিকে নিয়ে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হওয়ার গুঞ্জন সড়ক চাঁদাবাজি বন্ধে নতুন কমিটিকে কাজে লাগানোর আশা রিজভীর আরও ১১ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন আবেদন ইউজিসিতে সাতকানিয়ায় বাস-অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২ সৌদির দুই বিমানবন্দরে হুতিদের হামলা, নিহত ৩ আহত ৩৬ আত্রাইয়ে ৩ কোটি টাকার সড়কে নিম্নমানের খোয়া, এলজিইডির নির্দেশ উপেক্ষার অভিযোগ ভালুকায় নারী শ্রমিককে তুলে নেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার ২ সুবর্ণচরে অবৈধ ইটভাটা গুঁড়িয়ে দুই লাখ টাকা জরিমানা  শাইনপুকুর সিরামিকে বকেয়া বেতন নিয়ে শ্রমিক অসন্তোষ 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের মামলা প্রত্যাহার ও দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ জারি

অভয়নগর প্রতিবেদক

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের লক্ষ্যে সরকার ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছে। রোববার (২৫ জানুয়ারি) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়। এর আগে ১৫ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অধ্যাদেশটির খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।

অধ্যাদেশে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পক্ষে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-জনতাকে ‘গণঅভ্যুত্থানকারী’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ফ্যাসিস্ট শাসনের পতন ঘটিয়ে গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পরিচালিত এই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সব দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা প্রত্যাহার করা হবে। সরকার কর্তৃক প্রত্যয়ন সাপেক্ষে গণঅভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে চলমান কোনো মামলা থাকলে পাবলিক প্রসিকিউটরের আবেদনের ভিত্তিতে আদালত তাৎক্ষণিকভাবে তা প্রত্যাহার ও অভিযুক্তদের অব্যাহতি বা খালাস প্রদান করবেন।

তবে অধ্যাদেশে একটি ব্যতিক্রম রাখা হয়েছে। কোনো গণঅভ্যুত্থানকারীর বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলন চলাকালে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ থাকলে তা জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে দাখিল করা যাবে। কমিশন এই অভিযোগ তদন্ত করবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা বাহিনীর বর্তমান কিংবা সাবেক কোনো কর্মকর্তাকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া যাবে না। তদন্ত চলাকালে গ্রেপ্তারের প্রয়োজন হলে কমিশনের পূর্বানুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

অধ্যাদেশে আরও বলা হয়েছে, তদন্তে যদি অভিযোগিত ঘটনা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির অপরাধমূলক অপব্যবহার হিসেবে প্রমাণিত হয়, তাহলে কমিশন আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করবে এবং আদালত তা পুলিশ প্রতিবেদনের সমতুল্য হিসেবে গণ্য করে ব্যবস্থা নেবেন। আর যদি অভিযোগিত কার্য রাজনৈতিক প্রতিরোধের অংশ হিসেবে প্রতীয়মান হয়, তবে কমিশন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য সরকারকে নির্দেশ দিতে পারবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ঘটনায় আর কোনো আদালতে মামলা বা আইনগত কার্যধারা গ্রহণ করা যাবে না।



ফেসবুক কর্নার