
অনুমোদনের জন্য নতুন করে আরও ১১টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আবেদন করেছে। এসব আবেদন যাচাই-বাছাই করছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। দেশে প্রয়োজনের তুলনায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বেশি এবং বিদ্যমানগুলোর শিক্ষার মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন কতটা যৌক্তিক, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা।
আবেদন করা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে রয়েছে খুলনার নৌবাহিনী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব এক্সিলেন্স, রাজশাহীর আশ্রয় ইউনিভার্সিটি, ইম্পেরিয়াল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ইউনিভার্সিটি অব ইন্টিগ্রেটেড থট, গাজীপুর বেঙ্গল ইউনিভার্সিটি, ঢাকায় যমুনা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ভ্যারিটাস ইউনিভার্সিটি, ব্রিটিশ বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি, সাভারে গ্লোরিয়াস ইউনিভার্সিটি এবং ঝিনাইদহে সৃজনী বিশ্ববিদ্যালয়। ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন আহমেদ বলেন, অনুমোদনের ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত বিষয়গুলোর প্রকৃত প্রয়োজনীয়তা ও দেশের রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করা হচ্ছে।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির সভাপতি সবুর খান বলেন, কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা বিষয় অনুমোদনের আগে অবশ্যই ফিজিবিলিটি স্টাডি করা প্রয়োজন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জিন প্রকৌশল ও জীবপ্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক নাজমুল আহসানও প্রয়োজনীয়তা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ধরন এবং মানসম্মত গ্র্যাজুয়েট তৈরির সক্ষমতা বিবেচনার ওপর গুরুত্ব দেন। বর্তমানে দেশে ১১৭টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে, যার বেশিরভাগেই অর্ধেকের বেশি আসন ফাঁকা থাকে। একই সঙ্গে অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে আইন না মানার অভিযোগও রয়েছে।