কুষ্টিয়ায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও গণঅধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে কুষ্টিয়া সদর আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজাসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে শহরের ছয়রাস্তা মোড়ে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১৫ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে ভিপি নুরুল হক নুর ও রাশেদ খানকে নিয়ে মুফতি আমির হামজার কটূক্তির বক্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করে জেলা গণঅধিকার পরিষদ। এ সময় মুফতি আমির হামজা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি কর্মসূচি শেষ করে গাড়িযোগে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে ছয়রাস্তা মোড় এলাকায় গণঅধিকার পরিষদের বিক্ষোভ মিছিল অতিক্রম করছিলেন। তখন তার গাড়িবহরে হামলা চালানো হলে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
এমপি মুফতি আমির হামজা অভিযোগ করে বলেন, গণঅধিকার পরিষদ কুষ্টিয়া জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক ও সাংগঠনিক সম্পাদক তৌকির আহমেদের নেতৃত্বে একদল নেতা-কর্মী লাঠিসোটা ও ইট-পাটকেল নিয়ে তার গাড়িতে হামলা চালায়। এতে তিনিসহ জামায়াতের অন্তত সাতজন কর্মী আহত হন।
গণঅধিকার পরিষদের জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক তৌকির আহমেদ জানান, তাদের নেতা ভিপি নূর এবং রাশেদ খানকে নিয়ে এমপি আমির হামজার কটূক্তির প্রতিবাদে শহরের ছয়রাস্তা মোড় এলাকায় শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করি। এসময় জামায়াতের নেতা-কর্মীরা তাদের সমাবেশে অতর্কিত হামলা চালায় এবং দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর চালায়। এতে তিনিসহ গণঅধিকার পরিষদের তিনজন আহত হন।
কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল মাহমুদ জানান, জামায়াত এবং গণঅধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের মধ্যে কিছুটা উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।