
উত্তরবঙ্গের দুই কৃতী সন্তান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি এবং অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পাওয়ার খবরে কুড়িগ্রামে আনন্দ-উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন দলটির নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা। শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টায় শহরের সবুজপাড়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠসংলগ্ন জেলা বিএনপি কার্যালয় থেকে একটি আনন্দ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি ঘোষপাড়া, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, পৌর বাজারসহ শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কুড়িগ্রাম কলেজ মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।
পরে সেখানে অনুষ্ঠিত পথসভায় বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, সদস্য সচিব আলহাজ্ব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু, যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক হাসিবুর রহমান হাসিব, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক উমর ফারুখ, সাবেক পৌর মেয়র আবু বকর সিদ্দিক, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সাংবাদিক সাইয়েদ আহমেদ বাবু, ডা. মো. ইউনুস আলী, আজিজুল হক, পিপি অ্যাডভোকেট বজলুর রশিদ, মো. ইদ্রিস আলী, মো. হেলাল আহমেদ, সদর থানা বিএনপির আহ্বায়ক মাহাবুবার রহমান, সদস্য সচিব আবু হানিফ বিপ্লব এবং পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর বিপ্লব। এ ছাড়া জেলা যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী মিছিলে অংশ নেন।
পথসভায় বক্তারা বলেন, উত্তরবঙ্গের কৃতী সন্তান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়া কুড়িগ্রামসহ উত্তরাঞ্চলের মানুষের জন্য গর্ব ও আনন্দের বিষয়। একই সঙ্গে কুড়িগ্রামের সন্তান অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ায় জেলার নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। বক্তারা মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। তাঁদের নেতৃত্বে দেশ ও দলের রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন এবং সাংগঠনিক শক্তি আরও সুদৃঢ় হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন নেতাকর্মীরা। আনন্দ মিছিল ও পথসভাকে ঘিরে কুড়িগ্রাম শহরে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায় এবং বিভিন্ন স্লোগানে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো মুখর হয়ে ওঠে।