
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তরুণ প্রজন্ম বা জেন-জি’র কাছে পৌঁছাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের কৌশলে পরিবর্তন আনছেন। দীর্ঘদিনের আনুষ্ঠানিক ও পূর্বনির্ধারিত উপস্থিতির পরিবর্তে তাঁর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে এখন তুলনামূলক অনানুষ্ঠানিক ভিডিও, সেলফি-বার্তা ও তরুণদের কাছে জনপ্রিয় কনটেন্ট দেখা যাচ্ছে। ইনস্টাগ্রামে তাঁর বিপুলসংখ্যক অনুসারী থাকায় তরুণ ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে প্ল্যাটফর্মটিকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে তাঁর দল।
বিশ্লেষকদের মতে, ভারতের তরুণদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক রাজনৈতিক সক্রিয়তা ও বিভিন্ন ইস্যুতে অসন্তোষ বাড়ায় রাজনৈতিক দলগুলোকে প্রচারের ধরন পরিবর্তন করতে হচ্ছে। ২০২৯ সালের সাধারণ নির্বাচনে তরুণ ভোটারদের বড় একটি অংশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ কারণে প্রচলিত রাজনৈতিক বক্তব্যের পাশাপাশি ব্যক্তিগত ও সহজবোধ্য কনটেন্টের মাধ্যমে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে মোদির নতুন ধরনের ভিডিও নিয়ে তরুণদের প্রতিক্রিয়া পুরোপুরি ইতিবাচক নয়। কিছু ব্যবহারকারী এসব কনটেন্ট নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য ও মিম তৈরি করছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইনস্টাগ্রামে শুধু অনুসারীর সংখ্যা দিয়ে রাজনৈতিক প্রভাব তৈরি করা যায় না; কনটেন্টের আবেগ, উপস্থাপন ও ব্যবহারকারীদের অংশগ্রহণও গুরুত্বপূর্ণ। ফলে কোনো রাজনৈতিক বার্তা কীভাবে ছড়িয়ে পড়বে, তা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। তরুণদের কাছে পৌঁছানোর প্রতিযোগিতায় কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও ইনস্টাগ্রামে তুলনামূলক খোলামেলা ও ইন্টার্যাকটিভ কনটেন্ট প্রকাশ করছেন। একই সঙ্গে বিজেপি তাদের মন্ত্রী ও নেতাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয়তা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছে।