রাজশাহী বিভাগের ৮ জেলা সদর হাসপাতাল ও ৬৭টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে দালাল এবং কর্মঘণ্টায় ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের দৌরাত্ম্যমুক্ত করতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. মো. নুরুল ইসলামের নির্দেশনায় কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছেন রাজশাহী বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. মো. হাবিবুর রহমান। তিনি প্রতি মাসে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সরেজমিনে পরিদর্শন করে দালালমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিচ্ছেন।
রাজশাহী জেলার পবা, দুর্গাপুর, মোহনপুর, চারঘাট, পুঠিয়া, বাঘা, গোদাগাড়ী, তানোর ও বাগমারা—৯টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ কার্যক্রম জোরদার হয়েছে। গোদাগাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হাসানুল জাহিদ বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশনার পর হাসপাতাল চত্বর দালালমুক্ত করা হয়েছে। নাটোর জেলা সিভিল সার্জন ডা. মুহাম্মদ মশিউর রহমান জানান, বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অভিযান চলছে। নাটোর সদর হাসপাতালে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে এক দালালকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. মো. নুরুল ইসলাম বলেন, সরকারি হাসপাতালগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে কাজ চলছে এবং রাজশাহী বিভাগে ডা. মো. হাবিবুর রহমান নির্দেশনা বাস্তবায়ন করছেন। বিভাগীয় পরিচালক ডা. মো. হাবিবুর রহমান বলেন, সরকারি হাসপাতাল গরিব মানুষের ভরসার জায়গা; সেখানে দালাল বা ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের কোনো স্থান নেই। রাজশাহী ও নাটোরের বিভিন্ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অভিযান চালিয়ে দালালদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে এবং চিকিৎসাসেবার মান বাড়াতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।