
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মোটরসাইকেল কেনার কথা বলে এক ব্যবসায়ীকে বাসায় ডেকে আটকে রেখে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী মো. শরিফের অভিযোগ, তাঁকে মারধর করে ৭০ হাজার টাকা আদায়ের পর একটি প্রাইভেটকারে তুলে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়। এ ঘটনায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) দুই সদস্য ও এক আনসার সদস্যসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত শনিবার রাতে প্রতিবেশী আনসার সদস্য সোহেল রানার কথায় মোটরসাইকেল কেনার জন্য মোহাম্মদপুরের চন্দ্রিমা মডেল টাউনের একটি বাসায় যান শরিফ। সেখানে তাঁকে আটকে রেখে ভয়ভীতি দেখিয়ে ১০ লাখ টাকা দাবি করা হয়। সঙ্গে থাকা ৭০ হাজার টাকা দেওয়ার পরও তাঁকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। পরে পরিবারের সদস্যদের ফোন করে টাকা সংগ্রহের চেষ্টা করেন তিনি। রাত পৌনে ৩টার দিকে তাঁকে একটি সাদা টয়োটা প্রোবক্স গাড়িতে তুলে শ্যামলীর বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালের বিপরীতে নিয়ে যাওয়া হয়।
শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম জানান, শ্যামলীর শিশুমেলা এলাকায় পুলিশের চেকপোস্টে গাড়ি থেকে নেমে শরিফ সহায়তা চাইলে পাঁচজনকে আটক করা হয়। পরে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ আনসার সদস্য সোহেল রানাকেও গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় আটজনকে আসামি করে মামলা করেছেন শরিফ। গ্রেপ্তার ছয়জনকে আদালতে হাজির করা হলে ঢাকা মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হক তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের কোনো কর্মকর্তা এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দিতে রাজি হননি।