
ইসরায়েলে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তার বিরোধী গাদি আইজেনকটের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ পার্লামেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দীর্ঘদিনের শাসক নেতানিয়াহুর ক্ষমতা ধরে রাখা এবং আইজেনকটের নেতৃত্বে পরিবর্তনের সম্ভাবনা ঘিরে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। তবে কোনো পক্ষই এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারবে না বলে শেষ মুহূর্তের জরিপে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
১৯৮৮ সালের পর প্রথমবার নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে দেশটির সাধারণ নির্বাচন। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলা এবং পরবর্তী সময়ে গাজা, লেবানন ও ইরানের সঙ্গে সামরিক সংঘাতের পর এটিই প্রথম নির্বাচন। প্রায় ৭৩ লাখ ভোটার ১২০ আসনের নেসেট নির্বাচনে ভোট দিচ্ছেন। ৩৭টি দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। সরকার গঠনে প্রয়োজন অন্তত ৬১ আসনের সমর্থন। জরিপে আইজেনকটের মধ্যপন্থি ইয়াশার দল লিকুদ পার্টির চেয়ে সামান্য এগিয়ে রয়েছে। নেতানিয়াহুর জোট প্রায় ৫০টি এবং বিরোধী জোট ৫২ থেকে ৫৬টি আসন পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নেতানিয়াহু জাতীয় নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি দিলেও ৭ অক্টোবরের হামলা ঠেকাতে ব্যর্থতা, দুর্নীতির বিচার এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নিয়ে সমালোচনার মুখে রয়েছেন। অন্যদিকে আইজেনকট সরকারের জবাবদিহি ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তবে তিনিও ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছেন। কোনো জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে সরকার গঠনে দীর্ঘ আলোচনা হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলোর সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। সমঝোতা না হলে ইসরায়েলে আবারও নির্বাচন আয়োজনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।