November 3, 2026, 6:05 pm
শিরোনাম :
ডেইলি স্টারের প্রতিবেদন থেকে তা’মীরুল মিল্লাতের নাম প্রত্যাহার জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চলবে: শফিকুর রহমান কচুয়ায় সড়ক ছেড়ে মাঠে বাস পার্কিং, কমেছে যানজট সুবর্ণচরে তিন অবৈধ ইটভাটা গুঁড়িয়ে, জরিমানা ৬ লাখ টাকা দৌলতপুর সরকারি কলেজে এইচএসসিতে পাসের হার মাত্র ১৩.৫৪ শতাংশ গাইবান্ধায় ২ কোটি টাকায় বদলে যাচ্ছে গ্রামীণ সড়কের চিত্র লালমনিরহাট সীমান্তে ৭৭ হাজার টাকার ভারতীয় মাদক উদ্ধার শ্যামনগর হাসপাতালে এক্স-রে নেই, পাঁচ মাস অচল আলট্রাসনোগ্রাম কুমিল্লা নিউ মার্কেট ব্যবসায়ীদের সঙ্গে প্রশাসকের মতবিনিময় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল

দৌলতপুর সরকারি কলেজে এইচএসসিতে পাসের হার মাত্র ১৩.৫৪ শতাংশ

শাহ আলম, মানিকগঞ্জ ব্যুরো

 

২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় চরম ফলাফল বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে মানিকগঞ্জের দৌলতপুর সরকারি মতিলাল ডিগ্রি কলেজ। প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৩৬২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন মাত্র ৪৯ জন। অকৃতকার্য হয়েছেন ৩১৩ জন। কলেজটির পাসের হার দাঁড়িয়েছে ১৩ দশমিক ৫৪ শতাংশ। প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের অধিকাংশই ইংরেজি ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ে ফেল করেছেন।

ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ সম্পর্কে কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক সত্যজিৎ দত্ত বলেন, এ বছর সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিক্ষকস্বল্পতা, নির্বাচনকালীন সময়ে কলেজে সেনাবাহিনীর অবস্থান এবং পূর্ণাঙ্গভাবে সিলেবাস শেষ করতে না পারাকে তিনি ফল খারাপের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, শিক্ষকস্বল্পতা কাটাতে ব্যক্তিগত উদ্যোগে অতিথি শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক শাহানুর ইসলাম ফলাফলের জন্য নিজের দায় স্বীকার করে বলেন, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগের অভাব ছিল। অন্যদিকে, একই বিভাগের প্রভাষক মো. নিয়ামত উল্লাহ বলেন, চরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের বর্ষা মৌসুম ও নদীভাঙনের কারণে নিয়মিত কলেজে আসতে সমস্যা হয়। এ ছাড়া এসএসসিতে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস এবং অষ্টম-নবম শ্রেণিতে অটোপাসের প্রভাবও ফলাফলে পড়েছে বলে তিনি মনে করেন। আইসিটি বিভাগের প্রভাষক শারমিন আক্তার এ বিষয়ে সাংবাদিকদের কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ নিয়ে অধ্যক্ষ ও শিক্ষকদের বক্তব্যে ভিন্নতা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ইংরেজি বিভাগের দুই শিক্ষকের ব্যাখ্যায়ও রয়েছে স্পষ্ট পার্থক্য। এ পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অভিভাবক ও স্থানীয়রা। তাঁরা কলেজের শিক্ষার মান উন্নয়নে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। অধ্যক্ষ সত্যজিৎ দত্তও ভবিষ্যতে এমন ফলাফল আর হবে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।



ফেসবুক কর্নার