August 20, 2026, 6:04 pm
শিরোনাম :
কাবিননামায় বর-কনের আগের বিয়ে ও সন্তানের তথ্য যুক্ত করতে আইনি নোটিশ আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এককভাবে অংশ নেবে বিএনপি: রিজভী ভারতীয় পুরুষদের চেয়ে ইউরোপীয় পুরুষ ভালো, মল্লিকার মন্তব্যে ‘দ্য ট্রেইটর্সে’ আলোচনা কারাগারে ফিরেছেন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বিগ বসের ২০তম সিজনে মৌনী রায়, মিলেছে মোটা অঙ্কের পারিশ্রমিকের প্রস্তাব কুইন সুলিভানের সঙ্গে বিতর্ক, শাস্তির ঝুঁকিতে লিওনেল মেসি নিজের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবা আটক হরমুজ প্রণালি থেকে আমিরাতভিত্তিক ট্যাংকার জব্দ করে ইরানে নিল বিপ্লবী গার্ড মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশনের প্রজ্ঞাপন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেননি ৬ এমপি, জানা গেল কারণ

মর্দানি ৩’-এর ক্লাইম্যাক্সে টানা ১৮ ঘণ্টা শুটিং

অভয়নগর প্রতিবেদক

 

যশরাজ ফিল্মসের অন্যতম সফল ও জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘মর্দানি’। আগের দুটি কিস্তি বক্স অফিসে ঝড় তোলার পর, এবার সেই রেশ ধরেই রূপালি পর্দায় আসছে এর তৃতীয় কিস্তি ‘মর্দানি ৩’। তবে এই সিনেমার শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা রানী মুখার্জির জন্য মোটেও সহজ ছিল না। বিশেষ করে ছবিটির ক্লাইম্যাক্স বা শেষ দৃশ্যের শুটিং করতে গিয়ে টানা ১৮ ঘণ্টা সজাগ থাকতে হয়েছিল তাকে; যা রীতিমতো তার শারীরিক ও মানসিক ধৈর্যের কঠিন পরীক্ষা নিয়েছে।
নিজের এই ভিন্নধর্মী ও চ্যালেঞ্জিং অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখ খুলেছেন রানী মুখার্জি নিজেই। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি প্রতিটি কাজেরই নিজস্ব কিছু চ্যালেঞ্জ থাকে। তবে আমার জন্য রাতের শিফটে শুটিং করা সবসময়ই সবচেয়ে কঠিন, কারণ আমি স্বভাবগতভাবেই সকালের মানুষ। আমি সকালে জলদি ঘুম থেকে উঠতে এবং রাতে জলদি ঘুমাতে পছন্দ করি।‘
‘তাই যখনই আমাদের রাতের শিডিউল থাকে, আমাকে আমার পুরো রুটিং পরিবর্তন করতে হয়। তাছাড়া আমি দিনে ঘুমাতে পছন্দ করি না, তাই সে রুটিনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া বেশ কঠিন।’ তবে রাতের শিফটে কাজ করার পেছনে কষ্টের পাশাপাশি একটি অন্যরকম ভালো লাগার দিকও খুঁজে পেয়েছেন এই গ্ল্যামার কন্যা।
রাত জাগা শুটিংয়ের সেই জাদুকরী পরিবেশের বর্ণনা দিয়ে রানী বলেন, ‘তা সত্ত্বেও, রাতে শুটিং করার মধ্যে বিশেষ কিছু একটা আছে। সেটের শক্তিটা তখন অন্যরকম থাকে। যখন পুরো শহর ঘুমিয়ে থাকে, তখন ফিল্ম ক্রুরা পুরোপুরি সজাগ থেকে একসঙ্গে কাজ করে। চারপাশে সবকিছু শান্ত থাকায় এক অদ্ভুত নীরবতা বিরাজ করে, আর সেই পরিবেশটাই শুটিংয়ে এক অন্যরকম মনোযোগ ও উত্তেজনা নিয়ে আসে।’
তার কথায়, ‘সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং অভিজ্ঞতা ছিল ক্লাইম্যাক্স সিকোয়েন্সের শুটিং করা। আমরা টানা ১৮ ঘণ্টা শুটিং করেছিলাম, যা বিকেল ৩টায় শুরু হয়ে পরদিন সকাল ১০টায় শেষ হয়েছিল। এটি শুধু শিডিউলের কারণেই কঠিন ছিল না, বরং দৃশ্যটি শারীরিকভাবে অনেক বেশি ডিমান্ডিং ছিল এবং এর জন্য প্রচুর শক্তি ও তীব্রতার প্রয়োজন ছিল। পুরো রাত জেগে শুটিং করার পর, এটি নিশ্চিতভাবেই আমাকে আমার ধৈর্যের শেষ সীমায় পৌঁছে দিয়েছিল। কিন্তু দৃশ্যটি শেষ পর্যন্ত যেভাবে পর্দায় ফুটে উঠেছে, তা দেখার পর এই সব কঠোর পরিশ্রম সার্থক মনে হয়েছে



ফেসবুক কর্নার