October 9, 2026, 2:03 pm
শিরোনাম :
কুমিল্লায় সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে হত্যা, ধানক্ষেতে ধস্তাধস্তির চিহ্ন ইজিবাইকে লিথিয়াম ব্যাটারির পরীক্ষামূলক প্রকল্প, সম্প্রসারণের পরিকল্পনা সরকারের- প্রতিমন্ত্রী।  ভাঙ্গায় বাসে পুলিশের অভিযান ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার যাত্রী স্থানীয়নির্বাচনে শরিয়াহর পক্ষের শক্তিকে নির্বাচিত করুন- পীর সাহেব চরমোনাই ঠাকুরগাঁওয়ে ৫০ বিজিবির অভিযানে দেশীয় পিস্তল ও গুলি উদ্ধার চট্টগ্রামে দেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাকের উদ্বোধন জীবনসঙ্গী হিসেবে ভালো বন্ধু ও ভ্রমণপ্রিয় পাত্র চান মিমি হুথিদের পতন ঘটিয়ে রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠাই লক্ষ্য ইয়েমেনের প্রাতিষ্ঠানিক সনদ নয়, কর্মক্ষেত্রে সাফল্যে দক্ষতা জরুরি: ববি হাজ্জাজ রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৮০

দৈনিক অভয়নগর পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর পটুয়াখালী সদর ছাড়লেন ইউএনও

মাসুদ খান, পটুয়াখালী প্রতিনিধি

 

পটুয়াখালী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রওজাতুন জান্নাতের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সরকারি উন্নয়ন ও প্রশাসনিক বরাদ্দ ব্যবহারে অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে জাতীয় দৈনিক অভয়নগর পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর তাকে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। বদলির পর দ্রুত নতুন কর্মস্থলে যোগদান করায় বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহল ও সেবা প্রত্যাশীদের মধ্যে নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সূত্রের অভিযোগ, পটুয়াখালী সদরে দায়িত্ব পালনকালে টিআর-কাবিখা, এডিপি, সরকারি ইজারা, হাট-বাজারসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক বরাদ্দের অর্থ ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। কয়েকজন প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি দাবি করেছেন, প্রকল্পের বিল ছাড় ও প্রশাসনিক অনুমোদন পেতে তাদের বিভিন্ন ধরনের চাপের মুখে পড়তে হয়েছে।
জানা গেছে, গত ১১ আগস্ট সাধারণ সেবা প্রত্যাশীরা ইউএনও কার্যালয়ে গিয়ে তাকে না পাওয়ার পর তার বদলির বিষয়টি সামনে আসে। পরে ১২ আগস্ট রংপুর বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে রওজাতুন জান্নাতকে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় বদলি করা হয় এবং একই দিনে তাকে অবমুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, পরদিনই তিনি নতুন কর্মস্থলে যোগদান করেন। এদিকে দায়িত্ব পালনকালে সরকারি বিভিন্ন বরাদ্দের অর্থ ব্যবহারে ওঠা অভিযোগের স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিক ও সচেতন নাগরিকরা। বিশেষ করে এডিপি, টিআর-কাবিখা, সরকারি ইজারা ও অন্যান্য বরাদ্দে কত টাকা ব্যয় হয়েছে, কোন প্রকল্পে কত অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং প্রকল্পের বাস্তব কাজের সঙ্গে বিল-ভাউচারের সামঞ্জস্য রয়েছে কি না, তা যাচাইয়ের দাবি উঠেছে।
স্থানীয়দের মতে, কোনো কর্মকর্তার বদলি তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের নিষ্পত্তি নয়। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রকৃত বিষয় উদঘাটনের জন্য সরকারি নথিপত্র, প্রকল্পের বিল-ভাউচার ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। অভিযোগগুলো সত্য না মিথ্যা, তা নির্ধারণে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা। স্থানীয় সচেতন মহলের ভাষ্য, সরকারি অর্থ জনগণের কল্যাণে ব্যয় করা হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করতে বরাদ্দের প্রতিটি খাতের স্বচ্ছ হিসাব পর্যালোচনা জরুরি। একই সঙ্গে অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য নেওয়া এবং তদন্তের ফলাফল জনসমক্ষে প্রকাশ করা হলে বিষয়টি নিয়ে তৈরি হওয়া নানা প্রশ্নেরও অবসান হতে পারে বলে মনে করছেন তারা।



ফেসবুক কর্নার