
ভারতের সংগীতজগতের জনপ্রিয় দুই শিল্পী সুনিধি চৌহান ও নেহা কক্কর এবার গানের বাইরে রিয়েলিটি শো নিয়ে পরস্পরের বক্তব্যে আলোচনায় এসেছেন। সম্প্রতি এক পডকাস্টে সুনিধি চৌহান রিয়েলিটি শোগুলোর নেপথ্যের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মন্তব্য করেন। সরাসরি কারও নাম না নিলেও তার বক্তব্যকে ঘিরে সংগীত ও বিনোদন অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়। সুনিধির দাবি, বর্তমানে অনেক রিয়েলিটি শো আগে থেকেই সাজানো থাকে এবং টিআরপির জন্য প্রতিযোগীদের আবেগকে কাজে লাগানো হয়।
সুনিধি আরও অভিযোগ করেন, কিছু অনুষ্ঠানে নির্দিষ্ট প্রতিযোগীকে এগিয়ে দেওয়ার নির্দেশনা থাকে। পাশাপাশি প্রতিযোগী ও বিচারকদের পারফরম্যান্সে অটোটিউনের ব্যবহার নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তার ভাষ্য, এসব কারণেই তিনি বর্তমানে রিয়েলিটি শোর বিচারকের আসনে থাকেন না। সুনিধির বক্তব্যের পর অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার সঙ্গে একমত পোষণ করেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন গানের রিয়েলিটি শোর সঙ্গে যুক্ত নেহা কক্কর এবার এসব অনুষ্ঠানের বাস্তবতা নিয়ে ভিন্ন মত জানিয়েছেন। একাধিক অনুষ্ঠানে বিচারকের দায়িত্ব পালন করা নেহার আবেগঘন প্রতিক্রিয়া ও আচরণ নিয়েও অতীতে আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রিয়েলিটি শো সত্যিই সাজানো কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে নেহা বলেন, প্রতিযোগীদের আবেগ, জীবনসংগ্রাম ও ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার গল্প পুরোপুরি চিত্রনাট্য অনুযায়ী তৈরি করা সম্ভব নয়। কারও গল্প শুনে বিচারক হিসেবে তিনি আবেগপ্রবণ হলে সেটি স্বাভাবিক অনুভূতি বলেও উল্লেখ করেন। অনুষ্ঠানের টিআরপি প্রসঙ্গে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে নেহা দাবি করেন, তিনি যতদিন বিচারকের আসনে ছিলেন, ততদিন শোর টিআরপি ভালো ছিল। এরপর সুনিধিকে ইঙ্গিত করে কটাক্ষের সুরে তিনি বলেন, ‘আঙুর ফল না পেলে টক-ই লাগে।’ নেহার এই মন্তব্য সুনিধির সাম্প্রতিক বক্তব্যের পাল্টা জবাব কি না, তা নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।