May 14, 2026, 7:21 pm
শিরোনাম :
সীমান্তজুড়ে বিজিবির কঠোর নজরদারি, বাড়ানো হয়েছে টহল কার্যক্রম কালীগঞ্জে প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি মামলায় ৫ আসামি কারাগারে ময়মনসিংহে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট এক বছরেও বাস্তবায়ন হয়নি জবির ‘মার্চ টু যমুনা’র তিন দাবি শেবাচিম হাসপাতালে অক্সিজেন খুলে নেওয়ার অভিযোগ, রোগীর মৃত্যুতে কর্মচারী বরখাস্ত ধামরাই সরকারি কলেজে ইউনিফর্ম পরে টিকটক নিষিদ্ধ, জারি সতর্কতা নোয়াখালীতে ভোক্তা অধিকারের অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা নেত্রকোনায় কন্যাকে নির্যাতনের অভিযোগে পিতা গ্রেপ্তার, অন্তঃসত্ত্বা কিশোরী উদ্ধার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৯ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬ এ মান্দার শিক্ষার্থীদের সাফল্যে সংবর্ধনা

এক বছরেও বাস্তবায়ন হয়নি জবির ‘মার্চ টু যমুনা’র তিন দাবি

অভয়নগর প্রতিবেদক

আবাসন বৃত্তি চালু, দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ দ্রুত সম্পন্ন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট বৃদ্ধি—এই তিন দফা দাবিতে গত বছরের ১৪ মে ‘মার্চ টু যমুনা’ কর্মসূচি পালন করেছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনের এক বছর পার হলেও দাবিগুলোর দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতারা।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নানা বঞ্চনার শিকার হচ্ছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ন্যায্য দাবিগুলো বাস্তবায়নের জন্য বারবার আন্দোলনে নামলেও এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়েনি।
জবি ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সুমন সরদার বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত। ন্যায্য অধিকার আদায়ে রাজপথে নামতে হয়েছে। নতুন বাংলাদেশে আমরা পরিবর্তনের আশা করেছিলাম, কিন্তু এখনো বাস্তব কোনো অগ্রগতি হয়নি।”
তিনি আরও বলেন, “সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হলেও দাবিগুলোর বাস্তবায়ন হয়নি। নতুন প্রশাসনের কাছে আমাদের প্রত্যাশা রয়েছে। অন্যথায় শিক্ষার্থীরা আবারও আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে।”
জবি ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি একেএম রাকিব বলেন, “পূর্ববর্তী প্রশাসন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারেনি। নতুন প্রশাসনের সঙ্গে আমরা আলোচনা করেছি। প্রয়োজনে আবারও শিক্ষার্থীদের নিয়ে কর্মসূচি দেওয়া হবে।”
জকসুর এজিএস মাসুদ রানা বলেন, “গত বছর শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী সবাই মিলে আন্দোলন করলেও এক বছরেও একটি দাবিও বাস্তবায়িত হয়নি। প্রশাসনিক দুর্বলতার কারণেই বিষয়গুলো ঝুলে আছে।”
এদিকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যেও রয়েছে হতাশা। গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী ইশতিয়াক আহমেদ খান বলেন, “আবাসন সংকট, বাজেট সমস্যা ও দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো এখনও অনিশ্চয়তায় রয়েছে। একজন শিক্ষার্থী হিসেবে এটি অত্যন্ত হতাশাজনক।”
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দীন বলেন, “দাবিগুলো বাস্তবায়ন না হওয়া সামগ্রিকভাবে হতাশাজনক। দায়িত্ব নেওয়ার পর আমরা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করেছি। দ্রুত সমস্যাগুলোর সমাধান হবে বলে আশা করছি।”



ফেসবুক কর্নার