প্রকাশ্যে জুয়া খেলার ভিডিও ধারণ করায় মারপিটের শিকার হলেন সমন্বয়ক মুসাব্বির হোসেন
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি —কুড়িগ্রামের উলিপুরে মাঠে প্রকাশ্যে জুয়ার আসরে বাধা প্রধান করতে গিয়ে এবং ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে মারপিটের শিকার হলেন প্রতিবাদী তরুণ হিসেবে পরিচিত সমন্বয়ক মোঃ মুসাব্বির হোসেন । ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার দলদলিয়া ইউনিয়নের কদমতলা দ্বীমুখি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গত ৩১/০৩/২৫ ইং রোজ সোমবার দুপুর অনুমান ০২.৩০ ঘটিকার সময় স্থানীয় লোকজন টাকা দিয়া তাসের মাধ্যমে জুয়া খেলার সময়, মোঃ সাইদুল ইসলাম উক্ত খেলা মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারন করা অবস্থায় দেখে ক্ষিপ্ত হইয়া মারপিট করার জন্য তেরে আসে, খেলার আসরে বসা সব লোকজন অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে এবং মারপিট করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফুলাছিলা জখম করে, চিল্লাচিল্লি শুনে দুই তিনজন আগাইয়া আসিলে তাহাকেও মারপিট করে । মোঃ মোসাব্বির হোসেন বলেন, আমার সাথে ৯৫৫০ টাকা পকেটে ছিল সেটাও কেড়ে নেয়, অতঃপর মারপিট সহ্য করতে না পেরে আত্মরক্ষার জন্য এক দোকানে গিয়ে আশ্রয় নেই, পরে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে ওখান থেকে উদ্ধার হয়ে আসি,ঐ সময় সমন্ময়ক সহ প্রশাসন উদ্দেশ্য করিয়া অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে । বিষয়টি স্থানীয় ভাবে আপোষ মিমাংসার চেষ্টা করার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত মীমাংসা না হওয়ায়, ঘটনার পরের দিন, (০১/০৪/২০২৫) রোজ মঙ্গলবার মো. মোসাব্বির হোসেন বাদী হয়ে (২০) জনের নাম উল্লেখ করে থানায় অভিযোগ করেন, অভিযোগ নামায় আরো অজ্ঞাতানামা ৪০/৫০ জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। মো. মুসাব্বির হোসেন অভিযোগ নামায় উল্লেখ করেন,আওয়ামীলীগ ও কৃষকলীগ সমর্থক ও পদধারী ব্যক্তি ।তাহারা অত্র দলদলিয়া ইউনিয়নের কৃষক লীগের সভাপতি মোঃ কামরুজ্জামান মুন্সি রানা গ্রেফতার হওয়ার কারনে আমাকে দোষারফ করিয়া পূর্ব হইতে বিভিন্ন হুমকি প্রদান করিয়া আসিতেছিল। এমতাবস্থায় ঘটনার দিন জুয়া খেলা হাতেনাতে ধরতে গিয়ে আমাকে দেখে তারা ক্ষিপ্ত হয় এবং গালিগালাজ ও মারপিট করে । এ বিষয়ে উলিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিল্লুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে, তিনি ছুটিতে থাকায়, এস আই পুষ্প রঞ্জন বলেন, অভিযোগের বিষয়ে আমি অবগত আছি, অভিযোগপত্র ওসি স্যারের কাছে আছে,তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ।

আপনার অনুভূতি কী?






