August 11, 2026, 6:36 am
শিরোনাম :
খাল খননের কাজ শেষে প্রায় ১৩ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত, প্রশংসিত দুই ইউএনও অবশেষে চালু হচ্ছে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল, চলবে কোম্পানি আইনে ঠাকুরগাঁওয়ের ৫ স্কুলে কেউই পাশ করেনি, হতাশ না হয়ে চেষ্টার পরামর্শ দিলেন মির্জা ফখরুল কন্যা ভূরুঙ্গামারীতে জমি বিরোধে সংঘর্ষে যুবক নিহত, গ্রেপ্তার ১৭ শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর খালাতো ভাইয়ের পেট্রোল পাম্পের ১ কোটি ২১ লাখ টাকা ছিনতাই কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৪ শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় উৎসাহ, ৩৫০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফুটবল বিতরণ এসএসসিতে অকৃতকার্য হয়ে শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা এবার মুখ খুললেন মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে আসা অভিনেত্রী মেঘলা মুক্তা

ঠাকুরগাঁওয়ের ৫ স্কুলে কেউই পাশ করেনি, হতাশ না হয়ে চেষ্টার পরামর্শ দিলেন মির্জা ফখরুল কন্যা

অভয়নগর প্রতিবেদক

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল দিয়েছে গতকাল। তবে উদ্বেগের বিষয় হলো দেশজুড়ে অধিকাংশ শিক্ষার্থী ফেল করেছে। সে অনুযায়, দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ঠাকুরগাঁও জেলার পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষার্থীও পাশ করতে পারেনি। শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানের এই খতিয়ান প্রকাশ্যে আসার পর সর্বমহলে ব্যাপক উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

এ নিয়ে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বড় মেয়ে ও চিকিৎসা বিজ্ঞানী ড. শামারুহ মির্জা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে তিনি কৃতকার্য শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি অকৃতকার্যদের হতাশ না হয়ে পুনরায় চেষ্টা করার পরামর্শ দেন। একই সঙ্গে নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ের পাঁচটি স্কুলে একজন শিক্ষার্থীও পাশ না করার বিষয়টিকে ‘শিউরে ওঠার মতো ঘটনা’ বলে আখ্যা দিয়ে এর মূল কারণ অনুসন্ধান ও সমাধানের জোর দাবি জানিয়েছেন।

ফেসবুক পোস্টে ড. শামারুহ মির্জা লেখেন- ‘এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সব ছাত্রছাত্রীকে আমার প্রাণঢালা শুভেচ্ছা আর অভিনন্দন। তোমরা তোমাদের কঠোর পরিশ্রমের ফল পেয়েছ। ওয়েল ডান।’

যারা কৃতকার্য হতে পারেনি, তাদের মনোবল বাড়িয়ে দিয়ে তিনি আরও লেখেন- ‘আর যারা উত্তীর্ণ হওনি, এটাই শেষ নয়। আরও পড়তে চাইলে সেই সুযোগ তো আছেই। ইনশাআল্লাহ, পরের বার ভালো করবে। গ্রেড-এর থেকেও বেশি জরুরি এফোর্ট। চেষ্টা করতে হবে, পরিশ্রম করতে হবে।’

তবে ঠাকুরগাঁও জেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এই হতাশাজনক চিত্রে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি মন্তব্য করেন, ‘ঠাকুরগাঁও-এর পাঁচটি স্কুলে কেউ পাশ করেনি। শিউরে ওঠার মতো কথা। স্কুলগুলোর অবস্থা, মান ভালো করে পর্যালোচনা করতে হবে। কেন এমন হলো? সমস্যা খুঁজে সমাধান করতে হবে।’

উল্লেখ্য, ঠাকুরগাঁওয়ের যে পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাশ করতে পারেনি, সেগুলো হলো- ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, অনভারদিঘি উচ্চ বিদ্যালয়, মাধবপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, তাওরিগাঁ উচ্চ বিদ্যালয় ও হরিপুর উপজেলার রামপুর ভাতুরিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়



ফেসবুক কর্নার