
ভারতের বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকারের পরিবর্তন চান অভিনেতা ও অধিকারকর্মী প্রকাশ রাজ। তবে এ পরিবর্তন নির্বাচন ও সাংবিধানিক পথেই হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। শুক্রবার তিনি বলেন, ২০২৪ সালে বাংলাদেশ এবং ২০২৫ সালে নেপালে সরকার পরিবর্তনের ঘটনার সঙ্গে ভারতের পরিস্থিতিকে এক করে দেখার সুযোগ নেই। উত্তর প্রদেশের নির্বাচন থেকে ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন পর্যন্ত গণতান্ত্রিক উপায়ে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথাও জানান তিনি।
প্রকাশ রাজ অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় সরকার আলোচনার পথ বন্ধ করে বিক্ষোভকারীদের দমনে বলপ্রয়োগ করছে। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে নৈরাজ্য আখ্যা দেওয়ার বিরোধিতা করে তিনি বলেন, নাগরিকেরা সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগ করেই সরকারের কাছে প্রশ্ন তুলছেন, বিক্ষোভ করছেন এবং ভোট দেবেন। তাঁর ভাষায়, ‘আমরা কোনো অস্ত্র বহন করছি না। আমাদের অস্ত্র হলো সংবিধান ও প্রতিবাদের অধিকার।’
শুক্রবার তেরঙ্গা পদযাত্রার আগে নেতাকর্মীদের আটকের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন প্রকাশ রাজ। এ সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘হর ঘর তেরঙ্গা’ কর্মসূচির প্রসঙ্গ তুলে তিনি প্রশ্ন করেন, দেশের তরুণেরা জাতীয় পতাকা নিয়ে পদযাত্রা করতে চাইলে বাধা দেওয়া হচ্ছে কেন। নারীসহ বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশি সহিংসতার অভিযোগ তুলে আসন্ন শীতকালীন অধিবেশনে বিরোধী দলগুলোকে সংসদে বিষয়টি উত্থাপনের আহ্বান জানান তিনি। কৃষক সংগঠন সংযুক্ত কিষান মোর্চাসহ নাগরিক সমাজের সমর্থনের কথা উল্লেখ করে প্রকাশ রাজ বলেন, আন্দোলনের পরবর্তী ধাপে আরও বেশি মানুষ রাজপথে নামবেন।