June 24, 2026, 1:08 pm
শিরোনাম :
মেসির জন্মদিনে বিশ্বজুড়ে শুভেচ্ছার জোয়ার, হিলিতেও ভক্তদের উচ্ছ্বাস ইবির ফোকলোর অ্যান্ড সোস্যাল স্টাডিজ বিভাগের নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায় অনুষ্ঠিত নারীকে গণধর্ষণের পর হত্যা: নয় মাস পর ডিএনএ পরীক্ষায় পরিচয় শনাক্ত, দুই আসামি গ্রেপ্তার হরমুজে আটকা ১১ হাজারের বেশি নাবিককে উদ্ধার করবে জাতিসংঘ ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্ল্যানারি সেশনে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মেধা ও যোগ্যতার কঠিন পরীক্ষায় নওগাঁয় ক্যাডেট এএসআই নিয়োগ কার্যক্রম অব্যাহত হ্যাটট্রিকের আশায় রোনালদো, বড় লিড নিয়ে বিরতিতে পর্তুগাল আ. লীগের পরিকল্পনা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নস্যাৎ করে দিয়েছে : ডিএমপি কমিশনার একযোগে ১৬ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র নোয়াখালীতে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন: ৫ লাখ ৭৬ হাজার শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর প্রস্তুতি

এনসিপি-এবি পার্টিসহ কয়েকটি দলের সমন্বয়ে আসছে নতুন জোট

Reporter Name

মোঃ ইসমাইল হোসেন।

এনসিপি, এবি পার্টি, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন ও আপ বাংলাদেশকে নিয়ে নতুন রাজনৈতিক জোটগঠন হতে চলেছে। এই জোটে যুক্ত করতে দর কষাকষি চলছে গণঅধিকার পরিষদ, গণতন্ত্র মঞ্চে থাকা কয়েকটি দলের সাথেও।
সম্ভাব্য নতুন এই জোটের নাম হতে পারে জুলাই জোট বা গণতান্ত্রিক সংস্কার জোট কিংবা তৃতীয় ধারার সমমনা জোট।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন, ধর্মীয় ফ্যাসিবাদ ও চাঁদাবাজিবিরোধী অবস্থান নতুন জোটের লক্ষ্য। শরীক নেতারা জানান, জোট গঠনের পাশাপাশি বড় দুই রাজনৈতিক দল বিএনপি ও জামায়াতের সাথে নির্বাচনী সমঝোতায় আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।
এবি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু বলেছেন, একসাথে নির্বাচন করার পরিকল্পনা আমাদের আছে। কিন্তু সেখানে আসন প্রাধান্য পাবে না, অঙ্গীকার বাস্তবায়নের বিষয়টাকে প্রাধান্য দিবো। পুরনো দলগুলোর মধ্যে যদি কোনও সম্ভাবনাময় প্রার্থী থাকে তাহলে ভালো, আমরা হয়তো মনে করছি যে, উনি আমাদের জুলাই অভ্যুত্থানে ভূমিকা রেখেছেন, এ রকম কাউকে কাউকে আমরা সমর্থন দিতে পারি।

এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, প্রত্যেকটা দলের প্রবণতা ও মতাদর্শ জানি। এই ভিন্নতা কাটিয়ে ওঠেই একসাথে যাব। জোট হলে এই জোট যা কিছু করবে একসাথেই করবে। এই জোট যাকে সমর্থন দেবে বা যাদের সাথে যাবে তাদের সরকার গঠন করার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যাবে। ফলে সংস্কারের ক্ষেত্রে কোনও ধরনের চলচাতুরি যেন না থাকে।
জোটের পক্ষ থেকে সমঝোতার ভিত্তিতে ৩০০ আসনে প্রার্থী দেবে দলগুলো। বড় কোনও দলের সাথে আসন সমঝোতা হলেও নির্বাচনের মাঠে লড়বে জোট নিয়েই। তবে এই জোটের সব দল নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধিত নয়। সেক্ষেত্রে প্রশ্ন, কোন প্রতীকে নির্বাচন করবে তারা?
আপ বাংলাদেশের আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ বললেন, এই বিষয়ে এখনও বিস্তারিত আলাপ হয়নি। আমরা দলীয়ভাবেই সিদ্ধান্ত নেব। আমাদের দলীয় ফোরামে আলোচনাটা তুলে রাখছি। আপাতত চিন্তা, একটি স্বতন্ত্র জায়গা তৈরি করা।
সারোয়ার তুষারের মতে, গণভোট হবে, কিন্তু পরবর্তী সরকার যেন সংসদে দোহাই দিয়ে এগুলোকে বাতিল করতে না পারে সেজন্য সর্তক থাকা এবং আলোচনা যদি ফলপ্রসু হয় তাহলে এটা নির্বাচনকেন্দ্রীক জোট বা সমঝোতা এ রকম কিছু হতে পারে।
মুজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, যে যার প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবে, বাকিরা সেখানে সমর্থন দেবে। আবার এমনও হতে পারে যে নির্বাচনের আগে এক হয়ে একটা প্রতীকে সবাই নির্বাচন করতে পারে। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী আমরা বিভিন্ন দলের নীতি-চিন্তার ওপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত নেবো।
নেতারা আরও বলেন, নতুন করে ফ্যাসিবাদ যেন আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, এজন্য চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হিসেবে ভূমিকা রাখবে এই জোট।



ফেসবুক কর্নার