August 20, 2026, 1:01 pm
শিরোনাম :
মির্জা ফখরুলকে শুভেচ্ছা জানালেন অলি আহমদ মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের অভিনন্দন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেয়নি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন ২৫৫ ভোটে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ‘বিশ্বাসঘাতক’ হতে চান না রিয়া, জানালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা ধামরাইয়ে নৌ ডাকাতির রহস্য উদ্ঘাটন, ৬ ডাকাত গ্রেপ্তার ধর্ষণের অভিযোগে নাইজেরীয় গায়ক পোকো লি গ্রেপ্তার কিছুক্ষণের মধ্যেই শেষ হচ্ছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ নতুন রাষ্ট্রপতিকে শপথ পড়াবেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল কুমারখালীর সরকারি স্কুলে প্রক্সি শিক্ষক দিয়ে পাঠদান ও কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগ

কলকাতার হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৯, মোদির শোক

অভয়নগর প্রতিবেদক

কলকাতার নিউ মার্কেট থানা এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ছয়জন। মর্মান্তিক এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের বার্তায় বলা হয়, কলকাতার অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় তারা অত্যন্ত মর্মাহত। স্বজন হারানো পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন দুর্গতদের প্রয়োজনীয় সহায়তা করছে বলেও জানানো হয়।

জানা গেছে, দমকলের সদর দপ্তরের কাছে মির্জা গালিব স্ট্রিটের ‘শিখা ইন’ নামের হোটেলে মঙ্গলবার রাত পৌনে ২টার দিকে আগুন লাগে। পরে আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করে। নিহতদের মধ্যে ছয়জন পুরুষ, দুজন নারী ও এক শিশু রয়েছে। পুলিশ সূত্রের দাবি, মৃতদের মধ্যে আটজনই বাংলাদেশের নাগরিক। এ ছাড়া হোটেলের এক কর্মীও মারা গেছেন। তিনি ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা বলে জানা গেছে। অন্যদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে।

অগ্নিকাণ্ডের পর হোটেলটির নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। পাঁচতলা ভবনটির প্রতিটি তলায় একাধিক হোটেল চলছিল বলে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, সেখানে ন্যূনতম অগ্নিনিরাপত্তাবিধিও যথাযথভাবে মানা হয়নি। হোটেলের প্রবেশপথ ছিল সংকীর্ণ। ভবন থেকে বের হওয়ার সিঁড়িটিও লোহার তৈরি হওয়ায় আগুনের তাপে সেটি উত্তপ্ত হয়ে যায়। ফলে আতঙ্কিত আবাসিকরা দ্রুত বের হতে পারেননি বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আগুন লাগার কারণ এবং অগ্নিকাণ্ডের সঙ্গে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের যোগসূত্র ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে পাঁচ সদস্যের একটি বিশেষ তদন্ত দল (এসআইটি) গঠন করা হয়েছে। দলের নেতৃত্বে রয়েছেন ডেপুটি কমিশনার (ডিডি) পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা। অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অপরাধ দমন শাখা) কুণাল আগরওয়াল জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দমকলের পক্ষ থেকে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করা হয়েছে। গোয়েন্দা বিভাগের হোমিসাইড শাখা ঘটনাটির তদন্ত করছে।



ফেসবুক কর্নার