
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের গাইঘাটায় এক নাবালিকা স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার প্রহ্লাদ দাস পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ভোররাতে পুলিশের দাবি অনুযায়ী, অপরাধস্থলে নিয়ে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ শেষে ফেরার পথে তিনি এক পুলিশ কর্মকর্তার রিভলভার ছিনিয়ে পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালান। পরে পাল্টা গুলিতে তিনি আহত হন।
গত রোববার সকালে গাইঘাটা থানা এলাকার একটি বাড়ির পেছন থেকে ওই স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, আগের রাতে স্থানীয় একটি অনুষ্ঠানে মেয়েটি নিখোঁজ হয় এবং পরে তাকে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রহ্লাদ দাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়েরের পর পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। তিনি ওই কিশোরীর আত্মীয় বলে তদন্তে জানা গেছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গুলি চালানোর ঘটনায় এক কর্মকর্তা আহত হন। পরে আহত প্রহ্লাদকে চাঁদপাড়া গ্রামীণ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনাটি নিয়ে পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ ও নিহত কিশোরীর পরিবার আসামির মৃত্যুর পর সন্তোষ প্রকাশ করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এর আগে গত জুলাই মাসে বারুইপুরে ধর্ষণ মামলার এক অভিযুক্ত বন্দুক ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছিলেন। তিন মাসের ব্যবধানে পশ্চিমবঙ্গে একই ধরনের আরেকটি ঘটনা ঘটল।