August 15, 2026, 8:43 pm
শিরোনাম :
রগকাটা জামায়াত-শিবির স্বরূপে ফিরেছে: নুরুল হক নুর শাহজালাল মাজারের ডেগে মিলল শেখ হাসিনার নামে চিঠি জামায়াত-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষ, এমপি আমির হামজাসহ আহত ১০ কলকাতায় ‘রাত দখল’ মিছিলে অংশ নিয়ে আলোচনায় জয়া প্রকাশ্যে এল মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্সের বহুল প্রতীক্ষিত সিরিজ ‘ভিশনকোয়েস্ট’ কন্যা সন্তানের মা হলেন অভিনেত্রী পূজা পুরুষ প্রমাণিত হওয়ায় আজীবন নিষিদ্ধ দুই নারী অ্যাথলেট, বাতিল সব পদক প্রধানমন্ত্রীর ‘চ্যালেঞ্জ’ গ্রহণ করে চার পরিকল্পনা তুলে ধরলেন হাসনাত আবদুল্লাহ বিভ্রান্তির রাজনীতি ছেড়ে দেশ গঠনে এগিয়ে আসুন: প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে মিয়ানমার সরকারের বড় ঘোষণা

জমে উঠেছে ফুটপাতে শীতের কাপড়ের বাজার

অভয়নগর প্রতিবেদক

পৌষ মাসের শুরুতেই মোল্লাহাটে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। ভোর থেকে ঘন কুয়াশা ও হিমেল বাতাসে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জনজীবন। কনকনে ঠান্ডা থেকে রক্ষা পেতে প্রয়োজনীয় গরম কাপড় কিনতে মোল্লাহাটের ফুটপাতের শীতবস্ত্রের দোকানগুলোতে ভিড় জমাচ্ছেন সাধারণ মানুষ।
সরেজমিনে দেখা যায়, শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উপজেলার বিভিন্ন সড়কের পাশে গড়ে উঠেছে অস্থায়ী শীতবস্ত্রের দোকান। এসব দোকানে সোয়েটার, জ্যাকেট, মাফলার, শাল ও কম্বলের নানা সংগ্রহ সাজিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা। তুলনামূলক কম দামে গরম কাপড় পাওয়া যাওয়ায় খেটে খাওয়া মানুষ, নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি সপ্তাহে মোল্লাহাটে দিনের তাপমাত্রা ১৪ থেকে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলেও রাতের তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১০ থেকে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ভোর ও গভীর রাতে শীতের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি অনুভূত হচ্ছে।
ফুটপাতের দোকানে গরম কাপড় কিনতে আসা ক্রেতারা জানান, শীত বাড়ায় পরিবারের সদস্যদের জন্য প্রয়োজনীয় কাপড় কিনতেই তারা এখানে আসছেন। সাধ্যের মধ্যে গরম কাপড় পাওয়া যায় বলে ফুটপাতের দোকানই তাদের প্রথম পছন্দ। তবে অনেকেই অভিযোগ করেন, গত বছরের তুলনায় এ বছর কিছু কিছু শীতবস্ত্রের দাম ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
একাধিক ক্রেতা বলেন, বাজারের দোকানে দাম তুলনামূলক বেশি। তাই বাধ্য হয়েই ফুটপাত থেকে কিনছি। মান মোটামুটি হলেও দামের কারণে এখান থেকেই গরম কাপড় নিতে হচ্ছে।
শীতবস্ত্র বিক্রেতারা জানান, শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিক্রি মোটামুটি ভালো হচ্ছে। সকাল থেকে রাত ১০টা–১১টা পর্যন্ত দোকানে ক্রেতার ভিড় থাকে।



ফেসবুক কর্নার